বিহারে বজ্রপাত

এক সপ্তাহে তিনবার বজ্রপাত, বিহারে ফের মৃত্যু অন্তত ২৬ জনের

নিহতদের পরিবারপিছু ৪ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা নীতীশ কুমারের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২০, ১০:৪৫

options
link
এক সপ্তাহে তিনবার বজ্রপাত, বিহারে ফের মৃত্যু অন্তত ২৬ জনের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের বিহারে বজ্রপাতে (Lightning strike) প্রাণহানি। এবার মৃত্যু হল অন্তত ২৬ জনের। তাঁরা বেশিরভাগই উত্তর বিহারের বাসিন্দা। তবে মৃতদের মধ্যে ছ’জন পাটনায় থাকতেন। নিহতদের পরিবারপিছু চার লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

Advertisement

নীতীশ কুমারের বিহারে এই নিয়ে এক সপ্তাহে তৃতীয়বার বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। গত ২৫ জুন বজ্রপাতে বাইশটি জেলার মোট ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারপর বজ্রাঘাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে ৩০ জুন। সেদিন প্রাণ গিয়েছিল ৩০ জনের। এরপর বৃহস্পতিবার আবারও মৃত্যু হল ২৬ জনের। নিহতদের মধ্যে ৬ জন পাটনার, সমস্তিপুরের ৭ জন, পূর্ব চম্পারণের ৪ জন, কাটিহারের ৩ জন, শেওহার এবং মাধেপুরে ৪ জন, পূর্ণিয়া এবং পশ্চিম চম্পারণের একজন করে দু’জনেরও মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অমানবিক! উত্তরপ্রদেশে শিশুদের দিয়ে খাল থেকে পচা-গলা লাশ তোলাচ্ছে পুলিশ, ভাইরাল ছবি]

ফের বৃহস্পতিবার প্রকৃতির রোষে রাজ্যের মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি এই ঘটনায় নিহতদের পরিবারপিছু ৪ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন। এছাড়াও রাজ্যবাসীকে আবহাওয়া দপ্তরের পরামর্শমতো সাবধানে চলাফেরা করার কথাও বলেছেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। টুইটে তিনি লেখেন, “এই তিনদিনে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে সমস্তিপুরে। বৃহস্পতিবার সমস্তিপুরে বজ্রপাতে প্রাণহানি হয়েছে বারো বছরের কিশোর-কিশোরীরও। তাদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।”

এদিকে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বজ্রপাতের পূর্বাভাসও রয়েছে। তাই শনিবার পর্যন্ত মোট ৩৮টি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনা যোদ্ধাদের সম্মান, বছরভর চিকিৎসক ও নার্সদের বিমান ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় ইন্ডিগোর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.