লেহতে ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার চপার। ভয়ংকর এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার। চপারের ভিতর তিন জন সেনা আধিকারিক ছিলেন। বরাত জোড়ে তাঁরা প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, দুর্ঘটনার পর তাঁরা একটি নিজস্বী (সেলফি) তুলেছেন, যা ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারটি টিএম৩৩৩বি ইঞ্জিনযুক্ত চিতা মডেলের নতুন সংস্করণ। বুধবার বিকেলে এটি লেহতে ভেঙে পড়ে। চপারটির ভিতরে ছিলেন দুই সেনা পাইলট এবং ডিভিশন কমান্ডার মেজর জেনারেল শচীন মেহতা। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনজনই আহত হলেও তাঁরা স্থিতিশীল। কিন্তু কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর। দুর্ঘটনার পর মেজর জেনারেল শচীন মেহতা নিজেদের একটি ছবি তোলেন। ছবি দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের উপর তিন জন শুয়ে রয়েছেন। তাঁদের সামনেই পড়ে রয়েছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হেলিকপ্টারটি। ছবিটি ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

১৯৭০ থেকে সেনাবাহিনীতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে চিতা হেলিকপ্টার। উচ্চ পার্বত্য এলাকায়, বিশেষ করে সিয়াচেন হিমবাহে খাবার এবং অন্যন্য সরঞ্জাম পৌঁছনো, উদ্ধারকাজ ও নজরদারিতে এই হেলিকপ্টার দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ১৯৮৪ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন মেঘদূত’-এ-ও এই চপার ব্যবহৃত হয়েছিল। তবে গত কয়েক বছরে একের পর এক চিতা হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পুরনো এই হেলিকপ্টারগুলির রক্ষণাবেক্ষণ কঠিন হয়ে উঠছে। যদিও সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দুর্গম ও বেশি উচ্চতায় উড়ানের সক্ষমতার জন্য এখনও চিতা হেলিকপ্টারের বিকল্প তৈরি হয়নি।
সর্বশেষ খবর
-
ভোটে জিতে দলবদল ১১১ বিধায়ক-সাংসদের! বাংলা নয়, দলবদলে শীর্ষে দেশের এই রাজ্য
-
সারারাত প্যান্ডেল হপিংয়ের প্ল্যান! পুজোয় রাতভর পরিষেবা দেবে সরকারি বাস
-
বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কীভাবে? নির্দেশিকা দিয়ে জানাল অর্থ দপ্তর
-
আগরকরের কোপে কেরিয়ার শেষ! এখনও ক্ষোভ পুষে রেখেছেন? অবশেষে মুখ খুললেন অশ্বিন
-
পুজোর উইশলিস্টে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ফুচকা! কৌশানীর পুজোর পাতে আর কী কী চমক?