Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
DA

বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কীভাবে? নির্দেশিকা দিয়ে জানাল অর্থ দপ্তর

কোন প্রক্রিয়ায় কর্মীদের হাতে পৌঁছবে, সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার নির্দেশিকা জারি করল অর্থ দপ্তর।

মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ২০:৫৫

link
মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ২০:৫৫

options
link
বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া কীভাবে? নির্দেশিকা দিয়ে জানাল অর্থ দপ্তর zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মেটানোর ঘোষণা আগেই করেছে রাজ্য সরকার। এবার সেই বকেয়া টাকা কীভাবে হিসাব করা হবে? এবং তা কোন প্রক্রিয়ায় কর্মীদের হাতে পৌঁছবে, সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার নির্দেশিকা জারি করল অর্থ দপ্তর।

২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদে যে সমস্ত সরকারি কর্মচারীর বেতন ‘হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ বা এইচআরএমএস-এর মাধ্যমে হয়নি, তাঁদের জন্যও বিশেষ ব‌্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অর্থ দপ্তর জানিয়েছে, এইচআরএমএস পোর্টালে একটি নতুন মেনু যুক্ত করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নাম দেওয়া হয়েছে ‘পে ডিটেইলস এন্ট্রি ফর এরিয়ার ডিএ’। সংশ্লিষ্ট ‘ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার’ বা ডিডিও-কে এই মেনু ব্যবহার করতে হবে। ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মীদের মূল বেতন বা বেসিক পে কত ছিল, তা ডিডিও-রা পোর্টালে আপলোড করবেন। শুধু তাই নয়, ওই দীর্ঘ সময়ে কারও পদোন্নতি হলে বা বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাড়লে, সেই তথ্যও পোর্টালে দিতে হবে। নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে বেতনের প্রতিটি পরিবর্তন সিস্টেমে আপডেট করা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাত বছরের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এককালীন মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। অর্থদপ্তর এ বিষয়ে নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া থাকা মহার্ঘ ভাতা রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মিটিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে চলতি বছরের মার্চে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ মেটানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল রাজ্য। সেক্ষেত্রে তার আগের সাত বছরের ডিএ সরকারি কর্মীরা কবে পাবেন তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। এই নির্দেশিকায় তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

নবান্ন সূত্রে খবর, গ্রুপ ‘এ’, গ্রুপ ‘বি’ এবং গ্রুপ ‘সি’-র অন্তর্ভুক্ত কর্মীদের প্রাপ্য বকেয়া মহার্ঘ ভাতার অর্থ তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে জমা হবে। অন্যদিকে গ্রুপ ‘ডি’ কর্মীদের প্রাপ্য অর্থ জমা হবে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদে। তবে, যে সকল কর্মী তাঁদের অবসরের তারিখের আগের তিন মাস সময়ের মধ্যে রয়েছেন এবং যাদের জিপিএফ-এ চূড়ান্ত অর্থ প্রদানের সময় হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে প্রাপ্য বকেয়া ডিএ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হবে না। জিপিএফ-এ জমা হওয়া এই অর্থ ২০২৮ সালের ৩১ মার্চের আগে সাধারণভাবে তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে অর্থদপ্তর। অবসর, মৃত্যু বা পদত্যাগের মতো বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া ওই অর্থের উপর কার্যত ‘লক-ইন’ জারি থাকছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.