Maoists

অস্তাচলে লালসূর্য! তেলেঙ্গানায় শীর্ষ কমান্ডার সোদি কেশালু-সহ আত্মসমর্পণ ৪২ মাওবাদীর

৪৭ বছরের কেশা-র অপর নাম সোদি মাল্লা, তিনি নিখিল নামেও পরিচিত। তেলেঙ্গানা-ছত্তিশগড় সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বে ছিলেন তিনি। কেশা ছিলেন পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির এক নম্বর ব্যাটেলিয়নের শেষ কমান্ডার। তাঁর মাথার দাম ছিল ২০ লক্ষ টাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৯:৪১

options
link
অস্তাচলে লালসূর্য! তেলেঙ্গানায় শীর্ষ কমান্ডার সোদি কেশালু-সহ আত্মসমর্পণ ৪২ মাওবাদীর
নিহত মাও নেত্রীর স্বামীও ছিলেন মাও নেতা।

‘লাল সন্ত্রাস’কে দেশ থেকে নির্মূল করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইতিমধ্যে অধিকাংশ মাও শীর্ষ নেতারা হয় নিহত অথবা আত্মসমর্পণ করেছেন। কার্যত দেশে নকাশালপন্থীদের শিরদাঁড়া ভেঙে গিয়েছে। অবশিষ্টরাও আত্মসমর্পণের পথে। শুক্রবার তেলেঙ্গানায় একসঙ্গে ৪২ জন মাও সদস্য আত্মসমর্পণ করলেন। এদের মধ্যে রয়েছেন মাও শীর্ষ কমান্ডার সোদি কেশালু ওরফে সোদি কেশা।

Advertisement

৪৭ বছরের কেশা-র অপর নাম সোদি মাল্লা, তিনি নিখিল নামেও পরিচিত। তেলেঙ্গানা-ছত্তিশগড় সীমান্ত এলাকায় দায়িত্বে ছিলেন তিনি। কেশা ছিলেন পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির এক নম্বর ব্যাটেলিয়নের শেষ কমান্ডার। তাঁর মাথার দাম ছিল ২০ লক্ষ টাকা। বলা বাহুল্য, এই মাও নেতার আত্মসমর্পণ ছত্তিশগড় ও তেলেঙ্গানা প্রশাসনের জন্য বড় সাফল্য। মাওবাদীরা ৩৬টি বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ-সহ আত্মসমর্পণ করেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তেলেঙ্গানা পুলিশ জানিয়েছে, মাওবাদীদের থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে পাঁচটি একে-সিরিজের রাইফেল, চারটি সেলফ-লোডিং রাইফেল (এসএলআর), তিনটি ইনসাস রাইফেল, ছয়টি ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার, একটি ৯মিমি পিস্তল এবং দু’টি রিভলভার। এছাড়াও আটটি ১০০-গ্রামের বিস্কুটের আকারে ৮০০ গ্রাম সোনা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। মনে করা হচ্ছে, মাওবাদীদের অপারেশনাল রিজার্ভ এবং জরুরি তহবিলের অংশ ছিল এগুলি।

Advertisement

উল্লেখ্য, দেশকে মাওবাদী মুক্ত করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সেই সময়সীমা স্মরণ করিয়ে শাহ বলেন, “দেশের ১২টি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল মাওবাদীরা। আমরা এই মাওবাদকে সম্পূর্ণ নিকেশ করার কথা বলেছিলাম। অবশ্যই এই কাজ সহজ ছিল না। মাত্র ৩ বছরের মধ্যে আমরা যে এত বড় কাজ শেষ করতে পারব সত্যিই এটা কল্পনা করতে পারিনি। আমি নিরাপত্তাবাহিনীর কাজের নিরিখেই বলতে পারি, ৩১ মার্চের মধ্যেই আমরা দেশ থেকে মাওবাদকে সম্পূর্ণ নির্মূল করে দেব।”

গত কয়েকমাসে মাও-বিরোধী অভিযানের দিকে যদি নজর রাখা যায়, তবে দেখা যাবে নিরপত্তারক্ষীদের লাগাতার অভিযানে পিছু হটেছে মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা-সহ দেশের মাও অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে হাজার হাজার মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন। যারা অস্ত্র ছাড়েননি নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদের। তবে শুধু মাওবাদীদের মৃত্যু নয়, মাওবাদীদের পালটা জবাবে এখনও পর্যন্ত ৫৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন