নমাজকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেরিতে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) অভিযান শুরু করেছিল ভারতীয় সেনা। পরিকল্পনা মাফিক জঙ্গিঘাঁটিতে নমাজপাঠের সময় ডিঙিয়ে হামলা চালানো হয়েছিল। একথা জানালেন ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক উপেন্দ্র দ্বিবেদী। বিষয়টিকে সামরিক উদ্দেশ্যের সঙ্গে মানবিক বিবেচনার ভারসাম্য বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সেনাপ্রধান জানান, অভিযানের জন্য সেনা তৈরি ছিল। যদিও কমান্ডাররা সংযম দেখান। উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, “যখন লক্ষ্যবস্তুগুলি ধ্বংস করার কথা ছিল, তখন দুপুর দুটো বা চারটে, যে কোনও সময় হামলা হতে পারত।
কিন্তু আমরা নিশ্চিত করেছিলাম, ওপারের লোকেরা সন্ত্রাসবাদী শিবিরে নমাজ পড়ছে। এর পরেই সিদ্ধান্ত হয়— এই সময় হামলা করব না, কারণ ঈশ্বর এক। শেষ পর্যন্ত (হামলার জন্য) আমরা এমন একটা সময়কে বেছে নিয়েছিলাম, যখন ধর্মীয় প্রার্থনা হচ্ছে না।”
সেনাপ্রধান ‘অপারেশন সিন্ধুর’ চলাকালীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার একটি বিরল চিত্র তুলে ধরেন। যা প্রমাণ করে অভিযান পরিকল্পনা কেবল কৌশলগত নির্ভুলতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতেও ধর্মীয় রীতির প্রতি সংবেদনশীলতা দেখিয়েছে ভারতীয় সেনা। এই বিবৃতি সামরিক কৌশলের সঙ্গে নৈতিক বিচারবুদ্ধিকে সমন্বিত করে। সেনাপ্রধান জানিয়েছেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত আকস্মিক নয়, বরং এক বৃহত্তর মূল্যবোধের অংশ।
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ