Galwan Clash

ভারত-চিন যুদ্ধ প্রায় বেঁধে গিয়েছিল! প্রকাশ্যে গালওয়ান সংঘর্ষের বিস্ফোরক রিপোর্ট

৬৮ হাজার সেনাকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় লাদাখ সীমান্তে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৩, ০৯:২০

options
link
ভারত-চিন যুদ্ধ প্রায় বেঁধে গিয়েছিল! প্রকাশ্যে গালওয়ান সংঘর্ষের বিস্ফোরক রিপোর্ট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গালওয়ান সংঘর্ষের (Galwan Valley Clash) ফলে প্রায় যুদ্ধ বেঁধে গিয়েছিল ভারত (India) ও চিনের (China) মধ্যে! সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা একটি রিপোর্ট থেকে সেরকমই অনুমান ওয়াকিবহাল মহলের। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, গালয়ানের সংঘর্ষের পরেই অন্তত ৬৮ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় তাঁদের তুলে নিয়ে গিয়ে সীমান্তে মোতায়েন করে ভারতীয় বায়ুসেনা। শুধু তাই নয়, ৯০টি ট্যাঙ্ক-সহ বিপুল অস্ত্রভাণ্ডারও মজুত করা হয়। সীমান্ত এলাকায় লাগাতার নজরদারির জন্য রাখা হয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান।

Advertisement

২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকা এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়ায় ভারত ও চিনের সেনা। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পরে খুব কম সময়ের মধ্যেই বিশাল সংখ্যক সেনাকে লাদাখ সীমান্তে পৌঁছে দেওয়া হয়। বায়ুসেনার পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবহার করেই দুর্গম এলাকাগুলিতে সেনা জওয়ান ও প্রচুর অস্ত্র পৌঁছনো হয়। সেই সঙ্গে মোতায়েন করা হয় বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই ও জাগুয়ার যুদ্ধবিমান। সীমান্ত এলাকার যাবতীয় কার্যকলাপের দিকে কড়া নজরদারি চালাত এই দুই বিমান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: Hardik Pandya: সিরিজ হেরে এবার নতুন কোন অজুহাত দিলেন হার্দিক? জেনে নিন]

সদ্য প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, সবমিলিয়ে খুব সময়ের মধ্যে ৯ হাজার টন ওজন বহন করেছিল বায়ুসেনার পণ্যবাহী বিমানগুলি। সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরত্বে মোতায়েন করা হয়েছিল নজরদারি বিমান, যেন লালফৌজের সমস্ত গতিবিধির দিকে লক্ষ্য রাখা যায়। রাফালে ও মিগ বিমানগুলি যুদ্ধের জন্য একেবারে তৈরি রাখা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে সাময়িকভাবে সংঘর্ষবিরতি ঘটে। তবে এখনও সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি।

Advertisement

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গালওয়ান সংঘর্ষের পরে আরও শক্তিশালী হয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। লাদাখ থেকে শুরু করে অরুণাচল প্রদেশ- একাধিক ক্ষেত্রে সীমান্ত এলাকায় অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে সেনা। প্রসঙ্গত, গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে সীমান্ত এলাকায় দুই দেশই প্রচুর পরিমাণে বাহিনী মোতায়েন করেছে। প্রায় ৬০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে দুই দেশ। তবে সীমান্তে শান্তি ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত ও চিন। সোমবারই দুই দেশের সেনা আধিকারিকরা বৈঠকে বসবেন। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই বৈঠকের আগেই প্রকাশ্যে এসেছে সেনার রিপোর্ট। 

[আরও পড়ুন: মোদির ডাকে সাড়া! জম্মু-কাশ্মীরের বাড়িতে তেরঙ্গা ওড়ালেন হিজবুল জঙ্গির ভাই]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.