সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের ঠিক আগেই বড় ধাক্কা খেল আপ। শুক্রবার দল থেকে ইস্তফা দিলেন ৭ জন বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে দুজন ইস্তফাপত্রে পরিষ্কার জানিয়েছেন, দল ও দলের সুপ্রিমো দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উপরে ভরসা নেই তাঁদের। উল্লেখ্য, এই বিধায়কদের কাউকেই আগামী নির্বাচনে টিকিট দেওয়া হয়নি।
পালমের বিধায়ক ভাবনা গৌর একটি চিঠিতে কেজরির উদ্দেশে লিখেছেন, তিনি দল ছাড়ছেন। আর এর পিছনে কারণ একটাই। দল ও কেজরিওয়ালের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা। অন্যদিকে কস্তুরবানগরের বিধায়ক মদনলালের চিঠিতেও একই কারণ দেখানো হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘আমি আম আদমি পার্টির প্রাথমিক সদস্যপদ ত্যাগ করছি। কেননা আমি আপনার উপর থেকে এবং দলের উপর থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি।’
এছাড়াও ত্রিলোকপুরীর বিধায়ক রোহিত মেহরাউলিয়া, জনকপুরীর বিধায়ক রাজেশ ঋষি, মেহরাউলির বিধায়ক নরেশ যাদবও দল ছেড়েছেন। তালিকায় রয়েছেন আদর্শনগরের পবন শর্মা, বিজওয়াসানের বিএস জুনও ইস্তফা দিয়েছেন। একসঙ্গে এতজন বিধায়কের ইস্তফায় শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। এর মধ্যে রাজেশ ঋষি তাঁর ইস্তফাপত্রে একসঙ্গে ৬টি কারণ দেখিয়েছেন দল ছাড়ার। এখানে বলে রাখা ভালো, এঁরা কেউই বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাননি। বিধায়ক পদ খোওয়া যাওয়ার ক্ষোভই ইস্তফার আসল কারণ কিনা তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
এদিকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দাবি, দিল্লির ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। হরিয়ানা থেকে আসা যমুনার জলে অ্যামোনিয়ার পরিমাণ ছিল ৭ ppm। যা বিপজ্জনক। দিল্লি সরকারের অক্লান্ত চেষ্টায় সেটা নেমে এসেছে ২.১ ppm-এ। আপ সুপ্রিমো বলছেন, “এটা একদম স্পষ্ট যে হরিয়ানার বিজেপি সরকার যমুনার জলে অ্যামোনিয়ার স্তর বাড়ানোর ষড়যন্ত্র করেছে।” এই বিতর্কের মাঝেই সাত বিধায়কের দল ছাড়ায় নতুন বিতর্ক বাঁধল।
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর