কেরলে গো-হত্যার অভিযোগে আটক যুব কংগ্রেস নেতা

শনিবার কান্নুর শহরে প্রকাশ্যে একটি বাছুরকে কেটে মাংস ভাগাভাগি করে খান যুব কংগ্রেস কর্মীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০১৭, ১২:২৩

options
link
কেরলে গো-হত্যার অভিযোগে আটক যুব কংগ্রেস নেতা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিপাকে কেরলের যুব কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রকাশ্য দিবালোকে একটি বাছুরকে হত্যা করার অপরাধে বৃহস্পতিবার আট জনকে আটক করল কেরল পুলিশ। সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, আটক ৮ জনের মধ্যে যুব কংগ্রেস নেতা রিজিল মাকুট্টিও রয়েছেন।

Advertisement

[‘ব্রহ্মচারী’ ময়ূরের অশ্রুতেই গর্ভবতী হয় ময়ূরী, বিচারপতির মন্তব্যে বিতর্ক]

দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার পর, দেশজুড়ে বেআইনি গোহত্যা রুখতে উদ্যোগ নিয়েছিল মোদি সরকার। গত শনিবার পশুহাটে গোমাংস বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, পশুহাট বা পশুমেলায় বেআইনিভাবে আর পশুর মাংস বিক্রির অনুমতি মিলবে না। ধর্মীয় কারণে বলি দেওয়ার জন্য বা মাংস খাওয়ার জন্য গরু, মোষ, ষাঁড়, বলদ, বাছুরের মতো গবাদি পশুগুলিকে এই বাজারে বিক্রি করা যাবে না। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন রাজ্যেই প্রতিবাদ আন্দোলনে নামে বিরোধী দলগুলি। কেরলেও এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে একযোগে রাস্তায় নেমেছে শাসকদল সিপিএম-র নেতৃত্বাধীন এলডিএফ ও বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। কান্নুর শহরে বহু লোকের জমায়েতের মধ্যেই ‘বিফ ফেস্ট’ নামে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রকাশ্যে ১৮ মাস বয়সি একটি বাছুরকে কেটে মাংস ভাগাভাগি করে খান যুব কংগ্রেস কর্মীরা।

Advertisement

[নোট বাতিলে ধাক্কা খেয়েছে দেশের অর্থনীতি, ফেসবুকে কেন্দ্রকে কটাক্ষ মমতার]

এই ঘটনার ভিডিও ট্যুইটারে পোস্ট করেন কেরলের বিজেপি সভাপতি কুম্মানাম রাজশেখরণ। সঙ্গে লেখেন, ‘নৃশংসতা চরমে পৌঁছে গিয়েছে।’ পাশাপাশি বলেন, কোনও সুস্থ মানুষের পক্ষে এই ঘৃণ্য কাজ করা সম্ভব নয়। এরপরই সমালোচনার ঝড়ে ওঠে। ঘটনার নিন্দা করে কেরলে ক্ষমতাসীন সিপিএমও। দলের সাংসদ এম রাজেশ বলেন, এই ধরনের যুক্তিহীন প্রতিবাদে সংঘ পরিবারের হাতই শক্ত হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখের যে, প্রচারের জন্য কংগ্রেস কর্মীরা এতটা নিচে নামলেন। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছেন খোদ কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীও। টুইটারে তিনি লেখেন, কেরলে যা ঘটেছে, তা যুক্তিহীন ও বর্বরোচিত। দল এই ঘটনাকে কখনওই সমর্থন করে না। এরপরেই রিজিল মাকুলটির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার প্রেক্ষিতেই এদিন গ্রেপ্তার করা হল মাকুট্টিকে। যদিও তাতে কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই মাকুট্টির। ওই ঘটনার পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা কোনও ভুল কাজ করিনি। এটা আমাদের প্রতিবাদ কর্মসূচীর অংশ ছিল।’

Advertisement

[সমাধি থেকে উধাও প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার গ্যারিঞ্চার অস্থি, ক্ষুব্ধ পরিবার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.