Abhijit Dipke

কৃতিত্ব দেওয়া দূর, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার পর ওয়াংচুকের নামও উল্লেখ করলেন না অভিজিৎ দীপকে

সোনম অবশ্য সিজেপিকে ভোলেননি। আন্দোলনের কৃতিত্বও একা দাবি করেননি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ২০:১১

options
link
কৃতিত্ব দেওয়া দূর, ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার পর ওয়াংচুকের নামও উল্লেখ করলেন না অভিজিৎ দীপকে
ফাইল ছবি।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ পাঁচ দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি যে আন্দোলন শুরু করেছিল, সেই আন্দোলনের একেবারে পুরোভাগে ছিলেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে টানা ২৬ দিন অনশন করেছিলেন তিনি। অথচ শেষমেশ যখন দাবি পূরণ হল, ধর্মেন্দ্র প্রধান যখন ইস্তফা দিলেন, তখন সেই সোনম ওয়াংচুককে ন্যূনতম ধন্যবাদ পর্যন্ত জানালেন না ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে।

Advertisement

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার খবর সামনে আসার পর উল্লাসের সঙ্গে সে খবর বিক্ষোভকারীদের জানান অভিজিৎ। এই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আরশোলাদের সঙ্গে পাঙ্গা নয়’। অভিজিৎ রসিকতার সুরে বলেন, “সুবহ হো গেয়ি মামু।’ আন্দোলনের সাফল্যে বুক বাজিয়ে দাবি করেন, “ঝুকতি হ্যায় দুনিয়া, ঝুকানে ওয়ালা চাহিয়ে।” পুরো আন্দোলনের কৃতিত্ব মোটামুটিভাবেই নিজেদের আন্দোলনকে দিয়েছেন দীপকে। বিক্ষোভস্থলে আবেগী অভিজিৎ দীপকে বলে যান, “গত একমাস ধরে বহু অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। সবাই বলত, এই সরকার কারও কথা শোনে না। ঝুঁকবে না। কিন্তু আমরা দেখিয়ে দিয়েছি আন্দোলনের শক্তির কাছে সবাইকে ঝুঁকতে হয়।” তিনি বলছেন, “নিটের প্রশ্নফাঁসের জেরে যে ২০ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছে, এই জয় তাঁদের।”

Advertisement

ওই ২০ জন পড়ুয়াকে স্মরণ করলেও আন্দোলনের যে পুরোধা সেই সোনম ওয়াংচুকের অবদান একবারের জন্যও উল্লেখ করলেন না তিনি। বস্তুত পুরো ভাষণে সোনমের কথা উল্লেখই করেননি দীপকে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সাফল্য পেয়ে ২৬ দিন অনশন করে সোনমকে কি ভুলে গেল ককরোচ পার্টি? তবে কারও কারও যুক্তি ওয়াংচুক যেভাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের হাতে অনশন ভঙ্গ করেছেন এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি থেকে সরে এসেছেন, সেটা পছন্দ হয়নি ককরোচ পার্টির। বিজেপির সঙ্গে তাঁর কোনওরকম সমঝোতা হয়েছে, এই আশঙ্কাও রয়েছে।

Advertisement

 

এদিকে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফায় দেশের যুবসমাজকে অভিনন্দন জানিয়ে সোনম ওয়াংচুক বলেন, ‘এটি গণতন্ত্রের জয়। এই গণতন্ত্র সরাসরি রাজপথ থেকে উঠে আসা গণতন্ত্র। এই জয় শান্তি, ধৈর্য ও অদম্য সংকল্পের জয়। অভিনন্দন সিজেপি এবং দেশের জেন-জিকে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি প্রান্তে থেকে জেগে ওঠা সকল নাগরিককে ধন্যবাদ জানাই যারা ভয় ও আতঙ্ক ছেড়ে ফেলে এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন।’ অর্থাৎ সোনম সিজেপিকে ভোলেননি। আন্দোলনের কৃতিত্বও দাবি করেননি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.