অমৃতসর দুর্ঘটনা ঈশ্বরের ইচ্ছায়! ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবি আয়োজকের

ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সরব৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৮, ২১:১৯

options
link
অমৃতসর দুর্ঘটনা ঈশ্বরের ইচ্ছায়! ভিডিও বার্তায় নিজেকে নির্দোষ দাবি আয়োজকের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অমৃতসর রেল দুর্ঘটনার পর থেকেই পলাতক দশেরার অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক মদন মিথু৷ তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়েছেন উত্তেজিত জনতা কিন্তু প্রকাশ্যে আসেননি এলাকার প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতার ছেলে৷ তবে এবার ভিডিও প্রকাশ করে ক্ষমা চাইলেন তিনি৷ বললেন, ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁকে দোষী প্রমাণ করার চেষ্টা চলছে৷ ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে তাঁর বিরুদ্ধে. নিজেদের দোষ ঢাকার জন্য তাঁর উপরে সমস্ত দায় চাপানো হচ্ছে৷

Advertisement

[মোদি জমানায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে কোটিপতির সংখ্যা, বাড়ছে করদাতার সংখ্যাও]

Advertisement

মদন মিথু বলেন, ”সকলে মিলে আনন্দ উপভোগ করার উদ্দেশ্যে আমি দশেরা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম৷ প্রত্যেক সরকারি দপ্তর থেকে অনুমতি নিয়েই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল৷ পুলিশ, দমকল, স্থানীয় পুরসভা প্রত্যেকের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল৷” এই রেল দুর্ঘটনাকে ভগবানের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি৷ দাবি করেছেন, এতে তাঁর কোনও ভূমিকা নেই৷ এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সরব হন মদন মিথু৷ শুক্রবার দশেরা উপলক্ষে জোড়া ফটক এলাকায় রাবনবধ পালা চলছিল। অনুষ্ঠান দেখতে এসেছিলেন হাজারের বেশি মানুষ। রেললাইনের উপরে দাঁড়িয়েই অন্তত ৭০০ জন রাবণ বধ দেখছিলেন। তখনই দ্রুত গতিতে ছুটে আসে একটি ট্রেন। ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৬০ জনের। আহত বহু।

Advertisement

[মোদিকে আক্রমণ শানাতে এবার রাহুলের অস্ত্র শোলের বিখ্যাত গান]

এই ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত জোড়া ফটক এলাকা। গত রবিবার সকাল থেকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। অনুষ্ঠানটি যারা আয়োজন করেছিল, তাদের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। ঘটনার জন্য সরাসরি রেলের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে। প্রতিবাদে গত রবিবার সকালে রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। অবরোধ তুলতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তখনই অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁটবৃষ্টি করে উত্তেজিত জনতা। পালটা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এদিকে দুর্ঘটনার সমস্ত দায় ইতিমধ্যেই ঝেড়ে ফেলেছে রেল। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ট্রেনের গতি সবসময় আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া থাকে। ওই পরিস্থিতিতে যদি এমার্জেন্সি ব্রেক মেরেও গাড়ি থামানো হত, তাতেও গাড়ি মুহূর্তের মধ্যে থামত না। তার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় লাগত। ততক্ষণে দুর্ঘটনা ঘটেই যেত। তাছাড়া জায়গাটি ছিল অন্ধকার। চালক কিছুই দেখতে পাননি। এছাড়া যেই জায়গায় দুর্ঘটনাটি হয়, সেখানে একটি বাঁক রয়েছে। তাই এবিষয়ে কোনও তদন্ত করবে না রেল। তাদের মতে, অনধিকার প্রবেশের ফলেই যত বিপত্তি। রেল এও জানিয়েছে, ড্রাইভার, গার্ড, গেটম্যান বা স্টেশন মাস্টারের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। গোটা ঘটনাটি নিয়ে অজ্ঞাতপরিচয়দের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে রেলপুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.