Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মোদি জমানায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে কোটিপতির সংখ্যা, বাড়ছে করদাতার সংখ্যাও

ভোটের আগে স্বস্তির খবর মোদির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৮, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০১৮, ২১:০৭

options
link
মোদি জমানায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে কোটিপতির সংখ্যা, বাড়ছে করদাতার সংখ্যাও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিমুদ্রাকরণ এবং নোট বাতিলের পর থেকেই নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে অরুণ জেটলির মতো মন্ত্রিসভার শীর্ষ মন্ত্রীরা বারবার দাবি করছেন এর ফলে আদতে উপকার হচ্ছে অর্থনীতির। অর্থমন্ত্রী জেটলির দাবি ছিল, জিএসটি এবং নোটবাতিলের ফলে বেড়েছে প্রত্যক্ষ করদাতার সংখ্যা। বিরোধীরা সেই অভিযোগ নস্যাত করলেও সরকারি তথ্য কিন্তু মোদি-জেটলিদের দাবিতেই সিলমোহর দিচ্ছে।

[ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সিবিআই সেকেন্ড ইন কমান্ডের বিরুদ্ধে, তুঙ্গে টানাপোড়েন]

রিজার্ভ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বলছে গত চারবছরে দ্রুতহারে বাড়ছে বড়লোকের সংখ্যা। প্রত্যক্ষ করদাতাদের হিসেব বলছে সে কথা। রিজার্ভ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই মূহূর্তে দেশে এক কোটির বেশি বার্ষিক রোজগারকারী করদাতার সংখ্যা ১ লক্ষ ৪০ হাজারে পৌঁছে গিয়েছে। মোদি ক্ষমতায় আসার পর এই সংখ্যাটি বেড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। আয়কর দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে ১ কোটির বেশি করদাতার সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। ২০১৪-১৫ সালে যেখানে এক কোটির বেশি রোজগেরে করদাতার সংখ্যা ছিল ৮৮ হাজার ৬৪৯ জন। সেখানে বর্তমানে করদাতার সংখ্যা ১ লক্ষ ৪০ হাজার ১৩৯ জন । বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি ছোট সংস্থা, ফার্ম এবং অবিভক্ত হিন্দু পরিবারের মধ্যে। ব্যক্তিগত স্তরেও এক কোটির বেশি রোজগার করা করদাতার সংখ্যা বেড়েছে দ্রুত হারে। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে যেখানে এক কোটির বেশি রোজগার করা ব্যক্তিগত করদাতা ছিলেন ৪৮ হাজার ৪১৬ জন সেখানে বর্তমানে সংখ্যাটা ৮১ হাজার ৩৪৪ জন। এই সংখ্যাটি বড়েছে ৬৮ শতাংশ হারে। শুধু তাই নয়, ন্যূনতম করদাতার সংখ্যাও কংগ্রেস জমানার তুলনায় অনেকটা বেড়েছে মোদি জমানায়। কংগ্রেস জমানায় যেখানে ন্যূনতম করদাতার সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা সেখানে বর্তমানে ৬ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা।

Advertisement

[সিধুর পদত্যাগ ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে খুনের মামলার দাবিতে সরব অকালি দল]

উনিশের ভোটের আগে এই পরিসংখ্যান মোদি সরকারকে বড়সড় স্বস্তি দেবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ এখনও পর্যন্ত সেই অর্থে নোট বাতিলের হাতেকলমে কোনও সুবিধা সরকার দেখাতে পারেনি। এই প্রথম সরাসরি কোনও সাফল্যের খতিয়ান দেওয়া সম্ভব হল সরকারের তরফে। সেই সঙ্গে করদাতার সংখ্যার এই বৃদ্ধিকে জিএসটির সাফল্য হিসেবেও বর্ণনা করা যেতে পারে। যদিও, বিরোধীরা এই পরিসংখ্যানকে সরকারের সাফল্য হিসেবে মানতে নারাজ। তাদের অভিযোগ, এতেই বোঝা যাচ্ছে মোদি জমানার দেশে সম্পদের বৈষাম্য বাড়ছে, গরিব আরও গরিব হচ্ছে এবং ধনী হচ্ছে আরও ধনী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.