Ahmedabad Plane Crash

বিপুল অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও মৃত্যুমুখে, চিনে নিন আহমেদাবাদে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের পাইলটদের

বিমানচালক সুমিত সভরওয়াল এবং সহকারী চালক ক্লাইভ কুন্দার - দু'জনের কেরিয়ারগ্রাফই ঈর্ষণীয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৫, ১৭:২৫

options
link
বিপুল অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও মৃত্যুমুখে, চিনে নিন আহমেদাবাদে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের পাইলটদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আহমেদাবাদের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনাই এই মুহূর্তে সকলের আলোচনার কেন্দ্রে। মোট ২৪৪ জনকে নিয়ে আহমেদাবাদ থেকে ইংল্যান্ডের গ্যাটউইকগামী বিমান টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। তা মেঘানিনগরের বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিনের উপর ভেঙে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত কলেজও। বিমানযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদেরও মৃত্যুর আশঙ্কা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ১৩৩ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে বেসরকারি সূত্রে খবর, বিমানের ২৪৪ জনেরই মৃত্যুর আশঙ্কা।

Advertisement

এই দুর্ঘটনার নেপথ্য কারণ হিসেবে একাধিক বিষয় উঠে আসছে তদন্তের আওতায়। পাইলটদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অথচ জানা যাচ্ছে, বিমানচালক সুমিত সভরওয়াল এবং সহকারী চালক ক্লাইভ কুন্দার – দু’জনই বিপুল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। বিমান ওড়ানোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তা সত্ত্বেও সংকটকালে শেষরক্ষা হল না তাঁদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বৃহস্পতিবার আহমেদাবাদে অভিশপ্ত এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ বিমানটি চালাচ্ছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত সভরওয়াল। তাঁর সহকারী ছিলেন ক্লাইভ কুন্দার। সুমিত লাইন ট্রেনিং পাইলট। কেরিয়ারে ৮২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। আর সহকারী ক্লাইভ ১১০০ ঘণ্টা কাটিয়েছেন কো-পাইলট হিসেবে। দক্ষতার বিচারে এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উজ্জ্বল। আর সেই কারণেই বোধহয় বিমানটি টেক অফের পরই ইঞ্জিনে গন্ডগোলের আভাস পেয়েই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি-র যোগাযোগ করেন ক্যাপ্টেন সুমিত। পাশাপাশি নিজেও বারবার বিমানটিকে ফের অবতরণ করানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরবর্তীতে এটিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি নিরাপদে অবতরণের বদলে প্রায় ৬০০ ফুট উপর থেকে ভেঙে পড়ে। 

Advertisement

বলা হচ্ছে, বৃহস্পতিবারের বিমান দুর্ঘটনা সাম্প্রতিককালে দেশের সবচেয়ে ভয়াবহ। এখনও পর্যন্ত  বেসরকারি সূত্র অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ২৬৪। তবে সরকারি সূত্রে এখনও ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, জানা যায়নি। সংখ্যা যাই হোক, দেশের বিমান দুর্ঘটনার ইতিহাসে ১২ জুন, ২০২৫ দিনটি ‘কালো দিন’ হয়েই রয়ে গেল।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন