Ajit Pawar Plane Crash Mystery

আসেনি ‘মে ডে’ কল, কোনও উত্তরও দেননি পাইলট! অজিতের বিমান দুর্ঘটনায় ঘনীভূত রহস্য

সাধারণত বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, আগুন, ইঞ্জিন বিকলের মতো গুরুতর কোনও পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পাইলটরা সঙ্গে সঙ্গে ‘মে ডে’ কল দেন, যাতে এটিসি জরুরি পদক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে সেরকম কোনও বিপদ সংকেত পাওয়া যায়নি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৭:২০

options
link
আসেনি ‘মে ডে’ কল, কোনও উত্তরও দেননি পাইলট! অজিতের বিমান দুর্ঘটনায় ঘনীভূত রহস্য
কেন্দ্রের বিবৃতির পরই অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে বাড়ছে রহস্য।

মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনায় মুখ খুলল কেন্দ্র। কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, বিপর্যয়ের আগে পাইলট কোনও ‘মে ডে’ কল (বিপদ সংকেত) দেননি। শুধু তাই নয়, প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ার পর বিমানটিকে যখন দ্বিতীয়বার অবতরণের অনুমতি দেয় বারামতি বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, তখনও পাইলটের তরফ থেকে কোনও উত্তরও আসেনি। কেন্দ্রের এই বিবৃতির পরই ঘনীভূত হতে শুরু করল রহস্য।

Advertisement

বুধবার কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ার পর এদিন সকাল ৮টা ৪৩ মিনিট নাগাদ বিমানটিকে রানওয়ে ১১-তে দ্বিতীয়বার অবতরণের অনুমতি দেয় বারামতি বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি)। কিন্তু সেই অনুমতি মেলার পর পাইলট কোনও উত্তর দেননি। এক মিনিট পর ৮টা ৪৪মিনিট নাগাদ হঠাৎ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আগুন দেখতে পান। গোটা ঘটনায় সবচেয়ে বেশি করে প্রশ্ন তুলছে আরও একটি বিষয়। বিপর্যয় টের পাওয়ার আগে কেন পাইলট ‘মে ডে’ কল দেননি? কারণ, কেন্দ্রের বিবৃতিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার আগে বারামতি বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটি থেকে কোনও ‘মে ডে’ কল পায়নি। সাধারণত বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, আগুন, ইঞ্জিন বিকলের মতো গুরুতর কোনও পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পাইলটরা সঙ্গে সঙ্গে ‘মে ডে’ কল দেন, যাতে এটিসি জরুরি পদক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে সেরকম কোনও বিপদ সংকেত পাওয়া যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেন্দ্রের এই বিবৃতির পরই অজিতের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে বাড়ছে রহস্য। প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ করে এমন কী ঘটেছিল যে পাইলটরা কিছু জানানোর সুযোগই পেলেন না? তাহলে কি তাঁদের ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ নেশাগ্রস্ত করে দিয়েছিল? এই তত্ত্বও খাড়া হচ্ছে।  বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, তদন্তে ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার (ব্ল্যাক বক্স) এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের তথ্য বিশ্লেষণ করার পরই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন