Andhra Pradesh

অন্ধ্রে কাজের সময় বেড়ে ১০ ঘণ্টা! ‘ক্রীতদাস বানাতে চাইছে সরকার’, সরব বিরোধীরা

মহিলাদের কাজের ক্ষেত্রেও নিয়ম বদলের পথে নাইডু সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৫, ১৮:০৫

options
link
অন্ধ্রে কাজের সময় বেড়ে ১০ ঘণ্টা! ‘ক্রীতদাস বানাতে চাইছে সরকার’, সরব বিরোধীরা
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দৈনিক কাজের সময় ৮ ঘণ্টার পরিবর্তে ৯ ঘণ্টা ছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। সেই সময় আরও এক ঘণ্টা বাড়িয়ে ১০ ঘণ্টা করতে চলেছে চন্দ্রবাবু নাইডুর সরকার। একইসঙ্গে বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ওভার টাইমের সময়ও। জানা যাচ্ছে, রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে এই উদ্যোগ নিয়েছে অন্ধ্র সরকার। তবে এই সিদ্ধান্তে যারপরনাই অসন্তুষ্ট বিরোধী শিবির ও সেখানকার শ্রমিক সংগঠনগুলি। তাদের অভিযোগ, শ্রমিকদের ‘ক্রীতদাস’ বানাতে চাইছে সরকার।

Advertisement

প্রায় একদশক আগে কাজের সময় ৮ ঘণ্টার নিয়ম বদলে ৯ ঘণ্টা করা হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। এবার সে নিয়মে বদল এনে রাজ্যের তথ্য ও জনসংযোগমন্ত্রী কে পার্থসারথি জানান, “মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর রাজ্য শ্রম আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আইনের ৫৪ ধারায় এতদিন ৯ ঘণ্টা ছিল কাজের সময়। সেটি বাড়িয়ে ১০ ঘণ্টা করা হয়েছে। ৫৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ৫ ঘণ্টা কাজের পর একঘণ্টা বিশ্রাম পেতেন শ্রমিকরা। তা বাড়িয়ে এখন ৬ ঘণ্টা করা হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এটাই শেষ নয়, আগে এই রাজ্যের শ্রমিকরা ৭৫ ঘণ্টার বেশি ওভারটাইম করতে পারতেন না। সেই নিয়ম বদলে এখন ১৮৮ ঘণ্টা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। এই নিয়ম বদল প্রসঙ্গে সরকারের যুক্তি, এর জেরে রাজ্যের কারখানাগুলিতে বিনিয়োগ বাড়বে। নতুন বিনিয়োগকারীরা রাজ্যে আসবেন। নতুন নিয়মে আসলে কর্মীদের লাভ হবে। এখন সব রাজ্যেই বিশ্বায়ন হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী যে নিয়ম প্রচলিত সেই নিয়ম অন্ধ্রে চালু করতে আইন সংশোধন জরুরি। পাশাপাশি নয়া আইন পাশ হলে মহিলা কর্মীরা রাতের শিফটে কাজ করতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী, রাতের শিফটে বাড়তি বেতন ও বাড়তি ছুটি পাওয়ার কথা। নয়া আইনে সেই সুবিধা সংস্থার সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে।

Advertisement

সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ভি শ্রীনিবাস রাও। এই বিল প্রত্যাহারের দাবি তুলে তিনি বলেন, “দেশের পুঁজিপতিদের স্বার্থরক্ষা করতে কেন্দ্রীয় সরকারের চাপের মুখে পড়েছে আমাদের রাজ্য সরকার। তাই মোদি সরকারকে খুশি করতে এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নয়া এই সংশোধনী আইনের মাধ্যমে রাজ্যের শ্রমিকদের ক্রীতদাস বানাতে চাইছে সরকার।” পাশাপাশি সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক কে রামকৃষ্ণা। তিনি বলেন, “এই সিদ্ধান্ত শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী। গত ১১ বছর ধরে মোদি সরকার বারবার শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ করেছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন