Arunachal Pradesh

‘অনুমতি ছাড়া অরুণাচলে প্রবেশ নয়’, ‘বহিরাগত’ রুখতে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, রাজ্যে কঠোরভাবে লাগু হবে 'ইনার লাইন পারমিট'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৪, ১৪:৪৪

options
link
‘অনুমতি ছাড়া অরুণাচলে প্রবেশ নয়’, ‘বহিরাগত’ রুখতে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘অনুমতি ছাড়া ‘বহিরাগত’দের অরুণাচলপ্রদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।’ স্পষ্ট ভাষায় সোমবার এমনটাই জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু। বহিরাগতদের অবৈধ প্রবেশ আটকাতে এবং রাজ্যে প্রবেশ করতে আবশ্যিকভাবে সরকারের থেকে নিতে হবে ‘পারমিট’ বা প্রবেশ অনুমতি। অবৈধ অনুপ্রবেশের জেরে রাজ্যের মানুষের সংস্কৃতি যাতে প্রভাবিত না হয় সেই লক্ষ্যেই ‘ইনার লাইন পারমিট’ (ILP) পদ্ধতিকে আরও মজবুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

সোমবার রাজধানী ইটাহারে প্রশাসনিক আধিকারিক ও অখিল অরুণাচল প্রদেশ ছাত্র সংঘের (AAPSU) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে ছাত্র সংগঠন জানায়, কীভাবে রাজ্যে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ বেড়েছে। এমনকী রাজ্য পুলিশের রিপোর্টও তুলে ধরা হয়। যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে আইএলপি নীতি লঙ্ঘনকারী ১৫৫ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গোটা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেন, স্থানীয় জনজাতির স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বহিরাগতদের জেরে যাতে প্রভাবিত না হয় সেই লক্ষ্যেই কড়া ভাবে লাগু হবে ‘ইনার লাইন পারমিট’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আমেরিকাকে সেরাটা দিয়েছি’, বিদায় ভাষণে কেঁদে ফেললেন আবেগঘন বাইডেন]

উল্লেখ্য, বেঙ্গল ইস্টার্ন রেগুলেশন ১৮৭৩ অনুযায়ী লাগু করা হয় এই ‘ইনার লাইন পারমিট’। যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট রাজ্যে কেন এবং কী উদ্দেশে যাওয়া হচ্ছে তা জানাতে হয় রাজ্য সরকারকে। সরকার তা বিচার করে ভিনরাজ্যে বসবাসকারী ভারতীয়দের রাজ্যে প্রবেশের অনুমতি দেয়। উত্তর-পূর্বের অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম ও মণিপুরে লাগু রয়েছে এই নীতি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: RG Kar কাণ্ডের মাঝেই রাষ্ট্রপতির দরবারে বোস, ধনকড়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ]

সাম্প্রতিক সময়ে মেঘালয় রাজ্যেও এই নীতি লাগু করার জন্য আন্দোলন শুরু হয়েছে। ইনার লাইন পারমিট উদ্দেশ্য, বাইরের রাজ্য থেকে আসা কেউ যাতে অবৈধভাবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যে বসবাস না করতে পারে। এবং সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত করতে না পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন