Ram temple theft

এ পর্যন্ত উদ্ধার ১ কোটির সম্পত্তি, রাম মন্দির চুরিতে ‘সিট’ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত যোগী প্রশাসনের

রাম মন্দিরের ওই SIT এখনও পর্যন্ত আটজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, লবকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র— দুই ভায়রাভাই মিলে সবচেয়ে বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ২০:২৫

options
link
এ পর্যন্ত উদ্ধার ১ কোটির সম্পত্তি, রাম মন্দির চুরিতে ‘সিট’ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত যোগী প্রশাসনের
রাম মন্দিরে চুরির অভিযোগ। ফাইল ছবি।

যত দিন যাচ্ছে রাম মন্দির চুরির তদন্তে ততই যেন রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। নিত্যদিন নতুন নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। এই পরিস্থিতিতে রাম মন্দিরের চুরির তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিট অর্থাৎ বিশেষ তদন্তকারী দলের কাজের মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়াল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। উত্তরপ্রদেশ সরকারের বক্তব্য, “রাম মন্দিরে চুরির ঘটনায় আরও গভীর এবং আরও বৃহত্তর তদন্তের প্রয়োজন।”

Advertisement

রামমন্দিরে চুরির অভিযোগে গত কয়েক সপ্তাহ জাতীয় রাজনীতি তোলপাড়। গত ১৩ জুন রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের অনুরোধে ওই চুরির তদন্তে সিট গঠন করে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ওই সিটে রয়েছেন আইএএস বিজয় বিশ্বাস পন্থ, পুলিশের প্রাক্তন আইজি কিরণ এস এবং উত্তরপ্রদেশের অর্থদপ্তরের বিশেষ সচিব নীল রতন। প্রাথমিকভাবে ৩০ জুন সিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সিটের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা পড়েনি। শেষমেশ সিটের কাজের মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

Advertisement

উল্লেখ্য, রাম মন্দিরের ওই SIT এখনও পর্যন্ত আটজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হল অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মণীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব। মঙ্গলবার এসআইটি অভিযুক্তদের বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের দাবি, গোটা ষড়যন্ত্র আটজন অভিযুক্ত মিলেই ফেঁদেছিল। তদন্তে উঠে এসেছে, লবকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র— দুই ভায়রাভাই মিলে সবচেয়ে বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের কাছ থেকে এ পর্যন্ত কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধার হয়েছে। সেটাও হয়েছে ওই সিটের সৌজন্যে।

Advertisement

কীভাবে চুরি হত, প্রাথমিকভাবে তদন্তকারী দলের দাবি, প্রায় ৪০টি দানবাক্স থেকে সংগৃহীত নগদ অর্থ ধাপে ধাপে স্থানান্তরিত হত। আর এই প্রক্রিয়াতেই ছিল গলদ। দ্বিতীয়ত, প্রণামী-বাবদ নগদ ব্যবস্থাপনা বিধি লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। তৃতীয়ত, সিসিটিভি সংক্রান্ত অনিয়ম। ৪৫ দিন পর না কি ফুটেজ আপনা আপনিই মুছে যেত! অর্থাৎ তা সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা ছিল না। এছাড়াও প্রণামী বাবদ গণনাকৃত অর্থ ও ব্যাঙ্ক জমা মিলিয়ে দেখা হত না। চতুর্থত, এসবিআই-এর তরফে অনিয়ম নিয়ে তিন মাস আগেই সতর্ক করা হয়েছিল, যা উপেক্ষা করে ট্রাস্ট। পঞ্চমত, দেশের অন্যান্য বড় মন্দিরে যে পদ্ধতিতে সিসিটিভি নজরদারি হয়, বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বিধি অনুসৃত হয়, রাম মন্দিরের ক্ষেত্রে তা করা হত না বলেই অভিযোগ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.