Baba Siddique

নিশানায় ছিল বাবা সিদ্দিকির পুত্র জিশানও, পুলিশি জেরায় প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য

বাবা সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় চতুর্থ অভিযুক্তের খোঁজ পেল পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০২৪, ০৮:৩৮

options
link
নিশানায় ছিল বাবা সিদ্দিকির পুত্র জিশানও, পুলিশি জেরায় প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এনসিপি (অজিত) নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩ অভিযুক্তকে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এবার প্রকাশ্যে এল বিস্ফোরক তথ্য। পুলিশ সূত্রের দাবি, শুধু বাবা সিদ্দিকি নন, হত্যাকারীদের টার্গেটে ছিলেন বাবা সিদ্দিকির পুত্র বিধায়ক জিশান সিদ্দিকিও। রীতিমতো কপাল জোরে রক্ষা পান তিনি।

Advertisement

শনিবার রাতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে দশেরা উৎসব পালনের সময় খুন হন প্রাক্তন বিধায়ক বাবা সিদ্দিকি। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তিনি বেশ জনপ্রিয় নেতা। উৎসবের মরশুমে এহেন হত্যাকাণ্ড তোলপাড় ফেলে গোটা রাজ্যে। তদন্তে নেমে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তারের পরই কুখ্যাত এই খুনের সঙ্গে কুখ্যাত লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং দায় স্বীকার করে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই অভিযুক্ত হলেন গুরমেল সিং এবং ধর্মরাজ কাশ্যপ। এবং তৃতীয় জন নাবালক বলে প্রথমে তথ্য মিললেও, পরে হাড়ের পরীক্ষায় স্পষ্ট হয়েছে, সে নাবালক নয়। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ এও জানতে পেরেছে, খুনের জন্য তিনজনের প্রত্যেককে আগাম ৫০ হাজার টাকা করে সুপারি দেওয়া হয়েছিল। বাইরে থেকে বন্দুক আনা হয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের ঠিক আগের দিন।

Advertisement

তিন অভিযুক্তকে জেরার পর পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, বাবা ও ছেলে দুজনকেই হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে দুজনকে একসঙ্গে খুনের সুযোগ যদি না পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে সামনে আগে যাকে পাবে তাঁকেই যেন হত্যা করা হয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী, শনিবার রাতে বাবা সিদ্দিকিকে সামনে পেয়ে গুলি চালায় অপরাধীরা। হত্যাকাণ্ড চালানোর সময় সিদ্দিকির নিরাপত্তায় মোতায়েন এক পুলিশ কনস্টেবলের চোখে লঙ্কার গুড়ো ছেটায় অভিযুক্তরা। এদিকে সোশাল মিডিয়ায় এই হত্যার দায় স্বীকার করা লরেন্স গ্যাংয়ের দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন, প্রবীণ লঙ্কার এবং শুভম রামেশ্বর লঙ্কার।

Advertisement

পাশাপাশি পুলিশের তরফে জানা যাচ্ছে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চতুর্থ আর এক জনের খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। এই খুনের ঘটনার মূল পাণ্ডা মহম্মদ জিশান আখতার। দুবছর আগে পাঞ্জাবের জলন্ধর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতির মামলা ছিল। পাতিয়ালা জেলেই তার সঙ্গে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ হয়। জেলমুক্তির পর সে মুম্বইয়ে এসে এসব কাজে হাত পাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, বাবা সিদ্দিকি কখন কোথায় যাচ্ছেন, সেই গতিবিধি সম্পর্কে হত্যাকারীদের ক্রমাগত আপডেট দিচ্ছিল এই আখতার। এমনকি আততায়ীদের ঘর ভাড়া, থাকা খাওয়ার ব্যবস্থাও করে দিয়েছিল এই চতুর্থ অভিযুক্ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.