North Sikkim

ভাঙল বেইলি ব্রিজ, বন্ধ যানচলাচল, আরও ভয়ংকর উত্তর সিকিমের পরিস্থিতি

প্রচুর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০২৪, ১১:৫১

options
link
ভাঙল বেইলি ব্রিজ, বন্ধ যানচলাচল, আরও ভয়ংকর উত্তর সিকিমের পরিস্থিতি

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য, শিলিগুড়ি: উত্তর সিকিমে ভূমিধসের বিপর্যয় অব্যাহত। বৃহস্পতিবার রাতে নতুন করে ধস নেমে লিঙ্গি থেকে সিংটাম রোড কাউখোলা এবং সুন্তলিতে অবরুদ্ধ। রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী এবং রীতিমতো বিপজ্জনক হয়েছে। বিভিন্ন ঝোরা ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাস্তায়। সমানে বালি ও পাথর গড়িয়ে পড়ছে। সিকিম প্রশাসনের তরফে পর্যটকদের ওই রাস্তায় যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

Advertisement

রুট পরিবর্তন করতে না পারলে তারা যেখানে আছেন সেখানেই হোটেলে থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ, অবিরাম বৃষ্টির জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা দল কাজ কিরতে পারছে না। ধস বিভিন্ন এলাকায় নেমেছে। শুভলয়ে ভূমিধসের জন্য কাম্বলে এলাকায় ডিকচু রোড অবরুদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার উত্তর সিকিমের মাঙ্গান জেলায় অবিরাম বৃষ্টিপাতের জেরে ব্যাপক ভূমিধসের কারণে কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন। প্রায় দেড় হাজার পর্যটক আটকে পড়েছে। সঙ্কলং-এ নবনির্মিত বেইলি ব্রিজ ভেসে যাওয়ায় মঙ্গন, জংগু এবং চুংথাং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

North-Sikkim

Advertisement

[আরও পড়ুন: সাংসদ হতেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? জমি মামলায় ইউসুফকে নোটিস বরোদা পুরসভার]

ভূমিধসের জন্য বিভিন্ন রাস্তা অবরুদ্ধ হয়েছে। প্রচুর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেসেছে। গুরুদংমার লেক এবং ইয়ংথাং উপত্যকার মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলো এবং মঙ্গন জেলার জংগু, চুংথাং, লাচেন এবং লাচুং-এর মতো শহরগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। মঙ্গনের জেলাশাসক হেম কুমার ছেত্রী জানান, পাকশেপ এবং আম্বিথাং গ্রামে তিনজন করে মৃত্যু হয়েছে। গেইথাং ও নামপাথাং-এ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৃহহীনদের জন্য পাকশেপে একটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ফের আমজনতার পকেটে টান, অনেক বাড়তে পারে এটিএম ব্যবহারের খরচ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.