Mamata Banerjee

গণতন্ত্রের মোড়কে একনায়কতন্ত্র! ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর বিরোধিতায় মমতা

'এক দেশ, এক ভোট' প্রসঙ্গে নিজের যুক্তি দিয়ে কেন্দ্রের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ডক্টর নীতেন চন্দ্রকে চিঠি লিখেছেন তিনি। সবিস্তারে নিজের আপত্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, এই প্রস্তাব গণতন্ত্র ও সংবিধানের পরিপন্থী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৪, ১৭:১৭

options
link
গণতন্ত্রের মোড়কে একনায়কতন্ত্র! ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর বিরোধিতায় মমতা

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: ‘এক দেশ, এক ভোট’ প্রস্তাবের সরাসরি বিরোধিতা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। এ প্রসঙ্গে নিজের যুক্তি দিয়ে কেন্দ্রের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ডক্টর নীতেন চন্দ্রকে চিঠি লিখেছেন তিনি। সবিস্তারে নিজের আপত্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, এই প্রস্তাব গণতন্ত্র ও সংবিধানের পরিপন্থী। ‘এক দেশ, এক ভোট’ (One Nation, One Election) প্রস্তাবকে সংবিধানও মান্যতা দেয় কিনা, এই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কেন্দ্রের এই প্রস্তাবের সঙ্গে তিনি একমত নন, চার পাতার চিঠিতে তিনি তাও জানিয়েছেন।

Advertisement

চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন,  ”আপনাদের এই প্রস্তাব আমি মেনে নিতে পারছি না। কারণ, আমি মনে করি, ‘এক দেশ, এক ভোট’ প্রস্তাব কার্যকর করার অর্থ গণতন্ত্রের আড়ালে একনায়কতন্ত্র কায়েম করা। আমি বরাবর এর বিরুদ্ধে। তাই কেন্দ্রের এই প্রস্তাবেরও বিরোধিতা জানাচ্ছি।” 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কেউ কারও বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বললে ছেঁটে ফেলা হবে’, অভিষেককে পাশে নিয়ে বার্তা মমতার]

এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আরও যুক্তি, ”এক দেশ, এক ভোট-এর প্রস্তাব কার্যকর করতে গেলে একক নির্বাচনী কাঠামো তৈরি করা দরকার, তা কীভাবে সম্ভব? এছাড়া বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সময়ে বিধানসভা নির্বাচন হয়। একসঙ্গে সমস্ত নির্বাচন করতে হলে সেসব রাজ্যের সরকারের মেয়াদ তড়িঘড়ি কমে যাবে। তবে কি তারা নির্বাচিত সরকার ভেঙে নতুন করে নির্বাচনের পথে হাঁটবে? এটা কি যুক্তিগ্রাহ্য?”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মমতার নির্দেশে পদ হারালেন কেশিয়াড়ির ব্লক সভাপতি, বাড়তি দায়িত্ব মানস ভুঁইয়ার]

মুখ্যমন্ত্রীর আরও বক্তব্য, ”যদি কেন্দ্রীয় সরকারে কোনও কারণে ডামাডোল তৈরি হয়, তাহলে তার প্রভাব কেন রাজ্যগুলির উপর পড়বে? তা মোটেই কাম্য নয়।”   এ প্রসঙ্গে তিনি ১৯৫২ সাল পর্যন্ত একসঙ্গে নির্বাচন হওয়ার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেছেন।  সেই সময় থেকে আজকের সময় অনেকটা আলাদা। প্রত্যেক রাজ্যের কাঠামো, রাজ্য-কেন্দ্রের মধ্য়ে সমন্বয় – এসব অনেকটাই বদলে গিয়েছে। তাই এই সময়ে ‘এক দেশ, এক ভোট’ কার্যকর করলে তা গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা মুখ্যমন্ত্রীর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন