Bengal SIR

এসআইআরে শুনানির কাজ শেষ হবে সময়মতোই! ভূরি ভূরি অভিযোগ সত্ত্বেও আশাবাদী কমিশন

তথ্য যাচাইয়ের কাজ একটু ধীর গতিতে চলছে। এই প্রক্রিয়ায় গতি আনতে বুধবার থেকে সরাসরি ১০০ জন অতিরিক্ত মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে কমিশনের তরফে।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১৫:৪৪

options
link
এসআইআরে শুনানির কাজ শেষ হবে সময়মতোই! ভূরি ভূরি অভিযোগ সত্ত্বেও আশাবাদী কমিশন
ফাইল ছবি

লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি অর্থাৎ তথ্যে অসঙ্গতি তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো তালিকাও প্রকাশ এসেছে। কিন্তু সেই তালিকা এখনই দেওয়া হচ্ছে না কমিশনের ওয়েবসাইটে। অন্যদিকে কোনও জেলাশাসকই এখনও পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় চাননি। ফলে SIR সংক্রান্ত শুনানির দিনক্ষণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই মনে করছে কমিশন। এমনকী দিন বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনাও করা হচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন কমিশনের এক আধিকারিক। এই অবস্থায় নির্ধারিত ৭ তারিখের মধ্যেই শুনানির কাজ শেষ করে ও দ্রুত তথ্য আপলোড করতে চার পর্যবেক্ষকের অধীনে ১০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা কমিশনের হয়ে টি-বোর্ডের দপ্তরে কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে। 

Advertisement

জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বেধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শেষ করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ১০ দিন অতিরিক্ত সময় নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকে দপ্তর। কিন্তু হাতে এখনও ৯ দিন সময় থাকায় অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হবে না বলেই মনে করেন কমিশনের এক শীর্ষ কর্তা। তাঁর মতে, তথ্যে অসঙ্গতি ও আনম্যাপড মিলিয়ে মোট ১ কোটি ৫২ লক্ষের কাছাকাছি মানুষকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১কোটি ৩০ লক্ষ মানুষকে নোটিস দিয়ে ডেকে পাঠান হয়েছে। তার মধ্যে ৯০ লক্ষের কাছাকাছি শুনানি হয়ে গিয়েছে। এখনও ২২ লক্ষ নোটিস পাঠান ও ৬২ লক্ষের কাছাকাছি শুনানি বকেয়া রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৮ লক্ষ শুনানি হচ্ছে। ফলে আগামী ৯ দিনের মধ্যে শুনানি শেষ হয়ে যাবে বলেই মনে করছে কমিশন। এই পরিস্থিতিতে কোনও জেলা থেকে অতিরিক্ত সময় চেয়ে চিঠি আসেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও তথ্য যাচাইয়ের কাজ একটু ধীর গতিতে চলছে। এই প্রক্রিয়ায় গতি আনতে বুধবার থেকে সরাসরি ১০০ জন অতিরিক্ত মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে কমিশনের তরফে। যারা ইআরওদের আপলোড করা সমস্ত তথ্য খুঁটিয়ে দেখবেন। পরীক্ষা করার পর যদি তথ্যে কোনও অসঙ্গতি থাকে তবে কোথায় অসঙ্গতি তা ধরিয়ে দেবেন। এই প্রক্রিয়াকে ‘সুপার চেকিং’ বলছে নির্বাচন কমিশন।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন