Bengaluru

শৌচালয়ে টেনে নিয়ে গিয়ে সহপাঠীকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার বন্ধু

ঘটনার তদন্তে নেমেছে সে রাজ্যের পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ১৩:০১

options
link
শৌচালয়ে টেনে নিয়ে গিয়ে সহপাঠীকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার বন্ধু
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্যাম্পাসে শৌচালয়ের মধ্যেই সহপাঠীকে ধর্ষণের অভিযোগ। ঘটনায় গ্রেপ্তার নির্যাতিতার বন্ধু। ধৃত ওই যুবকের নাম জীবন গৌড়া। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে বিএনএসের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে কলেজ ক্যাম্পাসে যে জায়গায় এই ঘটনা সেখানে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। ফলে তদন্তে বেশ কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে তদন্তকারীদের। যদিও ইতিমধ্যে সমস্ত ফরেন্সিক এবং ডিজিটাল প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেই খবর।

Advertisement

জানা যায়, ধৃত জীবন ওই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ষষ্ঠ সেমিস্টারের স্টুডেন্ট। নির্যাতিতা ওই তরুণী ওই কলেজেরই সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্রী। একসঙ্গে পড়াশোনা করলেও একটি সেমিস্টার বাদ পড়ায় ধৃত ওই ছাত্র ষষ্ঠ সেমিস্টারে পড়ছেন। গত ১০ অক্টোবর কলেজের পুরুষ শৌচাগারে ওই ছাত্রীকে নিয়ে গিয়ে ওই ছাত্র ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। প্রথমে বিষয়টি ভয়ে কিছু না জানাতে পারলেও পরে অর্থাৎ গত ১৫ অক্টোবর স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমেই অভিযুক্ত ওই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Advertisement

লিখিত অভিযোগে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযুক্ত এবং নির্যাতিতা একে অপরকে চিনতেন। একই কলেজে পড়াশোনা করার সুবাদে একে অপরকে চিনতেন তাঁরা। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ঘটনার দিন অভিযুক্ত ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ডেকে ছিলেন। আর্কিটেকচার বিল্ডিং এ তাঁকে দেখা করতে বলেন। পুলিশকে ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, অভিযুক্তের ডাকে উপস্থিত হলে তাঁকে প্রথমে জোর করে চুম্বন করার চেষ্টা করা হয়। কোন কোনক্রমে অভিযুক্তকে ছাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযুক্ত ওই যুবক লিফটে চেপে তাঁকে ফলো করে পৌঁছে যান ছ তালাতেও।

Advertisement

অভিযোগ, এরপর ওই যুবক ওই ছাত্রীকে পুরুষদের শৌচাগারে টেনে নিয়ে যায়। সেখানেই দরজা বন্ধ করে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে দাবি করেছেন ওই ছাত্রী। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ১০ অক্টোবর দুপুর দেড়টা থেকে দুপুর দু’টোর এর মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগে জানিয়েছেন ওই ছাত্রী। নির্যাতিতার অভিযোগ, ঘটনার পর তাঁকে ফোন করে অভিযুক্ত জানতে চান পিল লাগবে কিনা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে নির্যাতিতা ওই ছাত্রী প্রথমটায় ভয় পেলেও পরে বাবা-মাকে সবকিছু খুলে বলেন। এরপরেও স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অন্যদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.