Pakistan

১২ বছর পরে ‘মৃত’ ব্যক্তির চিঠি এল পাকিস্তানের জেল থেকে! বিহারে ঘনাচ্ছে রহস্য

পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে উৎফুল্ল বাড়ির লোক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০২১, ১৫:১১

options
link
১২ বছর পরে ‘মৃত’ ব্যক্তির চিঠি এল পাকিস্তানের জেল থেকে! বিহারে ঘনাচ্ছে রহস্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর কোনও খোঁজ নেই দীর্ঘদিন। দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে ১২ বছর। অর্থাৎ একযুগ। এতদিন পরে আচমকাই ‘মৃত’ ব্যক্তির লেখা এক চিঠি এসে পৌঁছল! তাও পাকিস্তানের (Pakistan) জেল থেকে। এমনই আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে বিহারের (Bihar) বক্সারে।

Advertisement

বছর আঠারোর ছাভি ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন। আচমকাই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। এরপর আর তাঁর খোঁজ পাননি বাড়ির লোক। প্রথম দিকে আশপাশের অঞ্চল ও আত্মীয়স্বজনের বাড়ি খোঁজাখুঁজির পরে পুলিশেরও দ্বারস্থ হন তাঁরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত খিলাফৎপুরের বাসিন্দা ওই তরুণের কোনও খোঁজই মেলেনি। এই ভাবে বছর দুয়েক যাওয়ার পরে অবশেষে সব আশা ছেড়ে দেয় পরিবার। তাঁরা ধরেই নেন ছাভি আর বেঁচে নেই। সেইমতো তাঁর পারলৌকিক ক্রিয়াও সম্পন্ন হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘নিজের মেয়ের সঙ্গে এক ঘরে থাকা উচিত নয় বাবার’, সপা নেতা আবু আজমির মন্তব্যে বিতর্ক]

এরপর কেটে গিয়েছে আরও দশ বছর। আচমকাই পুলিশ যোগাযোগ করে ছাভির পরিবারের সঙ্গে। জানায়, তাদের কাছে পাকিস্তান থেকে এক চিঠি এসে পৌঁছেছে। প্রেরকের নাম ছাভি! তিনি নিজেকে খিলাফৎপুরের বাসিন্দা বলে উল্লেখ করেছেন। চিঠিটি এসেছে স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাছে। সেখানে আলাদা করে কোনও নির্দিষ্ট ঠিকানা বলা নেই। কিন্তু অবশেষে পুলিশ খোঁজ পেয়েছে ছাভির পরিবারের।

Advertisement

কিন্তু পাকিস্তানের জেলে গেলেন কী করে ওই তরুণ? এখনও সেই রহস্যের সমাধান করা যায়নি। তবে ছাভি বেঁচে আছেন, এটা জানতে পেরে খুশির ঢেউ নেমেছে তাঁর বাড়িতে। এবার সকলে মিলে অপেক্ষা করছেন কবে ছাভি ফিরে আসেন।

[আরও পড়ুন: শত্রু দেশকে কড়া বার্তা, ‘Agni Prime’ আণবিক মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ ওড়িশায়]

মারা গিয়েছেন ছাভির বাবা। তবে রয়েছেন তাঁর মা ও দাদারা। আপাতত অপেক্ষায় অধীর তাঁরা। এখনও জানা যায়নি পাকিস্তানের কোন জেলে রয়েছেন ছাভি। তবে খোঁজ শুরু হয়েছে। আশা, খুব দ্রুত মিলবে খবর। সেই আশাতেই বুক বেঁধে ঘরের ছেলের ঘরে ফেরার অপেক্ষায় সবাই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.