স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ‘গণধর্ষণ’, যৌনাঙ্গে বুলেট-পাথর-কাঠ, ব্লেডে বুক চিরল পাষণ্ডরা!

এখনও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্তরা। তবে পুলিশের আশ্বাস শিগগিরি গ্রেপ্তার করা হবে তাদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ১৬:০৫

options
link
স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ‘গণধর্ষণ’, যৌনাঙ্গে বুলেট-পাথর-কাঠ, ব্লেডে বুক চিরল পাষণ্ডরা!
ছবি এআই নির্মিত।

নারকীয় নির্যাতনের শিকার বিহারের গৃহবধূ! অভিযোগ, পাঁচজন দুষ্কৃতী তাঁকে গণধর্ষণ করেছে। এরপর ওই গৃহবধূকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। তাঁর তলপেটে অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছিল। চিকিৎসকরা গৃহবধূর যোনির ভিতর থেকে বুলেট-পাথর-কাঠ বের করেন। জানা গিয়েছে, ধর্ষণে বাধা দিলে ওই গৃহবধূর বুক ও উরু ব্লেড দিয়ে চিরে দেওয়া হয়।

Advertisement

অভিযোগ, গত ১১ জুন বেগুসরাইয়ের চাকিয়া থানা অঞ্চলে রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ দুষ্কৃতীরা হামলা করে ওই গৃহবধূর বাড়ি। তাঁর স্বামীকে একটি ঘরে আটকে রেখে অন্য ঘরে নির্যাতিতাকে টেনে নিয়ে গিয়ে তাঁর উপর পাশবিক অত্যাচার করা হয়। পরপর পাঁচজন তাঁকে ধর্ষণ করে। নির্যাতনে চৈতন্য হারান মহিলা। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর তলপেটে প্রবল যন্ত্রণা হচ্ছিল। এরপরই মহিলার যোনির ভিতর থেকে বুলেট-পাথর-কাঠের টুকরো উদ্ধার করেন তাঁরা। কার্যতই এমন অত্যাচারের চিহ্ন দেখে হতভম্ব হয়ে যান চিকিৎসা কর্মীরা। গৃহবধূর দাবি, যেহেতু তিনি সংজ্ঞা হারিয়েছিলেন, তাই বুঝতে পারেননি যে দুষ্কৃতীরা কীভাবে অত্যাচার করেছে!

Advertisement

এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেছেন, ”আমি আমার ছোট ননদকে ফোন করি। সে এসে আমার স্বামীকে উদ্ধার করে এবং পুলিশকে খবর দেয়। আমাদের হাসপাতালে যেতে বলা হয়। আমরা বারৌনি হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে আমাদের সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আমার গোপনাঙ্গে ক্রমাগত ব্যথা হচ্ছিল। ডাক্তারি পরীক্ষার সময় চিকিৎসকরা বলেন, যৌন নির্যাতনের সময় পাওয়া আঘাতের কারণেই এই ব্যথা হচ্ছে। এরপর আমরা বাড়ি ফিরে যাই। কিন্তু প্রচণ্ড ব্যথার ফলে ফের দ্রুত সদর হাসপাতালে যেতে হয়। পরীক্ষার সময় একটি গুলি, একটি পাথর এবং কাঠের একটি টুকরো বের করা হয়।”

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, এর মাস তিনেক আগেও তিনজন অপরাধী তাঁর বাড়িতে ঢুকে তাঁকে মারধর করে। টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার আগে তারা তাঁকে যৌন নির্যাতনেরও চেষ্টা করেছিল। তিনি বলেন, পুলিশকে বিষয়টি জানানো হলেও তারা কোনও পদক্ষেপ করেনি। সেই অপরাধীরাই ফিরে এসেছিল কিনা সেই আশঙ্কাও করছেন নির্যাতিতা। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে তল্লাশি চলছে। আশা, শিগগিরই পুলিশের জালে ধরা দেবে অভিযুক্তরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.