Uttar Pradesh Election 2022

উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে তালিবান ইস্যু থেকে ফায়দা তুলতে চায় বিজেপি, তোপ কংগ্রেসের

বিশ্বের বেশির ভাগই দেশই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে সংশয়াচ্ছন্ন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১, ১৪:১৬

options
link
উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে তালিবান ইস্যু থেকে ফায়দা তুলতে চায় বিজেপি, তোপ কংগ্রেসের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) তালিবান (Taliban) শাসন জারি হওয়ার ‘সুযোগ’ নিয়ে এই ইস্যুকে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ভোটপ্রচারে কাজে লাগাতে পারে বিজেপি (BJP)। এমনই দাবি করলেন কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল (Kapil Sibal)। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, আফগানিস্তানের সরকার গঠন বিষয়ে কোনও ভূমিকা নেই কেন্দ্রের। তবু রাজনৈতিক ভাবে পরিস্থিতির ফায়দা তুলতে পারে গেরুয়া শিবির।

Advertisement

ঠিক কী লিখেছেন কপিল? টুইটারে প্রবীণ নেতাকে লিখতে দেখা যায়, ”আফগানিস্তান, আফগানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমাদের কোনও ভূমিকা নেই। তালিবান জমানা নিয়ে আমরা সেই নীতিই নেব, যার সাহায্যে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে ফায়দা তোলা যায়। এটাই করুণ সত্যি। সংবাদমাধ্যমও এতে অংশ নিচ্ছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: BRICS: আফগানিস্তান সংকটের মধ্যেই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই নিয়ে সরব সভাপতি মোদি]

এদিকে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস তিরুমূর্তি বৃহস্পতিবারই জানিয়েছেন, আফগানিস্তানকে যেন কোনও ভাবেই অন্য দেশের বিরুদ্ধে জঙ্গি হামলার জন্য ব্যবহার না করা হয়। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া ভাষণে তিনি আরও জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের উন্নয়ন ও সেখানকার মানুষদের প্রতি সহমর্মিতা রয়েছে ভারতের। সেখানকার ৩৪টি প্রদেশে ৫০০-রও বেশি উন্নয়নমূলক ভারতীয় প্রকল্প রয়েছে। ভারত আফগানিস্থান পরিস্থিতি নিয়ে তাদের অবস্থান জানানোর মধ্যেই এবার বিরোধী দলের নেতা কপিল আক্রমণ করলেন বিজেপিকে।

গত ১৫ আগস্ট কাবুলে প্রবেশ করে তালিবান। অবশেষে কয়েকদিন আগে ঘোষিত হয়েছে সরকার। তবে এখনও শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়নি। শোনা যাচ্ছে ৯/১১-র কথা মাথায় রেখে শনিবারই হতে পারে সেই অনুষ্ঠান। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য চিন, তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, কাতার, আমেরিকার পাশাপাশি ভারতকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে তালিবান। তালিবানের মুখপাত্রের কথায়, ”আফগানিস্থানে শান্তি ও স্থিতাবস্থা ফেরাতে বিনিয়োগ দরকার। আমরা চিন-সহ আমাদের পড়শিদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখতে চাই।” যুদ্ধের শেষে আফগানিস্তানে শান্তি ফেরানোর বুলি আওড়ালেও এখনও পর্যন্ত বিশ্বের বেশির ভাগই দেশই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে সংশয়াচ্ছন্ন।

[আরও পড়ুন: COVID-19: দেশের কোভিড গ্রাফ অনেকটাই নিম্নমুখী, কমল দৈনিক মৃত্যুও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.