BJP Lakshmir Bhandar

মমতার ধাঁচে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার! প্রথমবার কেরল জিততে কল্পতরু মোদি

বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসের ‘খয়রাতি’ রাজনীতির নিন্দা করলেও সময় বুঝিয়ে দিয়েছে, তৃণমূল নেত্রীর এই পদক্ষেপ কতটা সময়পযোগী ছিল। বর্তমানে তাঁর দেখানো পথেই হাঁটছে বিজেপি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১৬:৩১

options
link
মমতার ধাঁচে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার! প্রথমবার কেরল জিততে কল্পতরু মোদি
আজ পর্যন্ত কোনওদিন কেরলে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি। ছবি: সংগৃহীত।

ভোট বৈতরণী পার করতে আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মডেলেই ভরসা রাখল বিজেপি। মঙ্গলবার কেরলে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছে গেরুয়া শিবির। সেখানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসাথী- সব প্রকল্পের ধাঁচে নতুন কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ‘বিকশিত কেরলম’ গড়তে মহিলাদের জন্য মাসিক ৩ হাজার টাকা, দরিদ্র পরিবারগুলির জন্য মাসে আড়াই হাজার টাকার রিচার্জ-ঢালাও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

Advertisement

আগামী ৯ এপ্রিল একদফায় কেরলে বিধানসভা নির্বাচন। ১৪০টি আসনে একদিনেই ভোটগ্রহণ হবে। আজ পর্যন্ত কোনওদিন কেরলে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি। দক্ষিণের রাজ্যটিতে এবার জোরকদমে প্রচার চালিয়েছে পদ্মশিবির। কেরলের জন্য় ইস্তেহারে বহু সুযোগসুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে। গ্যাস সংকটের মধ্যে ঘোষণা-দরিদ্র পরিবারগুলিকে বছরে দু’টি করে এলপিজি সিলিন্ডার দেওয়া হবে-বড়দিন এবং ওনামের সময়ে। এছাড়াও প্রত্যেকটি বাড়িতে বছরে ২০ হাজার লিটার জল দেওয়া হবে বিনামূল্যে। নতুন রেলপথ, মেট্রো পথের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

এখানেই শেষ নয়। দরিদ্র পরিবারের কর্ত্রীদের প্রত্যেক মাসে ৩ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে। একই ভাতা দেওয়া হবে বিধবা এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সি প্রত্যেক নাগরিককে। সেই সঙ্গে থাকবে আরোগ্য সুরক্ষা কার্ড। দারিদ্রসীমার নিচে থাকা কেরলবাসীকে প্রত্যেক মাসে ২৫০০ টাকা রিচার্জ করে দেওয়া হবে এই কার্ডে। ওষুধ এবং মুদিখানার জিনিস কিনতে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে। উল্লেখ্য, বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে নিঃশর্তভাবে মহিলাদের মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় এছাড়াও বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতাও চালু রয়েছে রাজ্যে।

Advertisement

উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটে জিতেই কার্যকর করেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসের ‘খয়রাতি’ রাজনীতির নিন্দা করলেও সময় বুঝিয়ে দিয়েছে, তৃণমূল নেত্রীর এই পদক্ষেপ কতটা সময়পযোগী ছিল। বর্তমানে তাঁর দেখানো পথেই হাঁটছে বিজেপি। কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশের ‘লাডলি বেহনা’ প্রকল্প, মহারাষ্ট্রের ‘মুখ্যমন্ত্রী মাঝি লড়কি বহিন যোজনা’-একের পর এক রাজ্যে মমতার দেখানো পথেই বাজিমাত করেছে বিজেপি। কেরলেও গেরুয়া শিবির সেই স্ট্র্যাটেজিই নিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.