২০১৩ সালের যৌন নিগ্রহের মামলায় সাংবাদিক ও তেহেলকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালকে (Tarun Tejpal) বেকসুর খালাস দিয়েছিল গোয়ার এক নিম্ন আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাই কোর্ট। সেই মামলায় রায়দান স্থগিত রাখল উচ্চ আদালত। এই মামলায় গোয়া সরকারের হয়ে লড়ছেন সরকারি আইনজীবী তুষার মেহতা। তরুণের হয়ে লড়ছেন সিনিয়র আইনজীবী অবোধ পন্ডা। রায়দান কবে তা জানায়নি বিচারপতিদের বেঞ্চ।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে গোয়ায় একটি কনফারেন্স চলাকালীন এক সহকর্মীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠে তরুণের বিরুদ্ধে। তাঁর এক মহিলা সহকর্মী অভিযোগ করেন যে, গোয়ার এক হোটেলের লিফটে তাঁকে যৌন নিগ্রহ করেছেন তিনি। এই মর্মে গোয়া পুলিশের কাছে এই সংক্রান্ত এফআইআর দায়ের করা হয়। এরপর ২০১৩ সালে গ্রেপ্তার করা হয় তরুণ তেজপালকে। ২০১৪ সালের জুলাই মাসে জামিনে মুক্তি পান তিনি। এরপর ২০১৭ সালে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয় তেজপালের বিরুদ্ধে। মামলার শুনানি শুরু হয় গোয়ার আদালতে। ২০২১ সালে সেই মামলায় খালাস পান তিনি। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় গোয়া সরকার।
একাধিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তুষার। যার মধ্যে অন্যতম তরুণের ক্ষমা প্রার্থনার ইমেল। তাঁর যুক্তি, ”ইমেলের মাধ্যমে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি এই ধারণাই তুলে ধরে যে, ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতিতে ঘটেছিল। কিন্তু এখন তরুণ বলছেন এমন কিছুই ঘটেনি! তাহলে তখন তিনি কীসের জন্য ক্ষমা চান? মেয়েটির মায়ের কাছে তিনি কীসের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন? কীসের জন্য তিনি লজ্জিত বোধ করছেন? ‘কিছুই ঘটেনি’—এই দাবিটি আসলে একটি ভিত্তিহীন অজুহাত। তিনি এমনটা দাবি করতেই পারেন, কিন্তু এটি একটি অসার যুক্তি।” তাঁর মতে, এই বক্তব্যগুলোই ‘এনকাউন্টার’ বা সংঘর্ষের ঘটনার স্বীকারোক্তি। আর হোটেলের লিফটের ভেতরে কোনও ঘটনাই ঘটেনি, বিবাদী পক্ষের বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে যা ছিল অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ