Bombay High Court

নাবালিকা ধর্ষণে যাবজ্জীবন! গান্ধী মাহাত্ম্য প্রচার করায় দোষীর সাজা কমে মাত্র ১২ বছর

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। মহারাষ্ট্রের ঘটকোপরের বাসিন্দা ওই যুবক প্রতিবেশীর ৫ বছরের কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পসকো আইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৪:২৭

options
link
নাবালিকা ধর্ষণে যাবজ্জীবন! গান্ধী মাহাত্ম্য প্রচার করায় দোষীর সাজা কমে মাত্র ১২ বছর
গান্ধী মাহাত্ম্য প্রচার করায় সাজা কমল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আসামির। ফাইল ছবি

জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছিলেন ৫ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আসামী। সত্য, ন্যায় ও অহিংস মতাদর্শের ধারক মহাত্মাকে নিয়ে লেখা সেই প্রবন্ধ মন জিতে নিল বিচারকের। গর্হিত অপরাধের পরও অপরাধীর যাবজ্জীবনের সাজা কমিয়ে তা করা হল ১২ বছর। বেনজির এই ঘটনা ঘটেছে বম্বে হাই কোর্টে।

Advertisement

ঘটনার সূত্রপাত ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। মহারাষ্ট্রের ঘটকোপরের বাসিন্দা ওই যুবক প্রতিবেশীর ৫ বছরের কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। পসকো আইনে চার বছর ধরে মামলা চলার পর ২০২০ সালে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনায় আদালত। গত ৫ বছর ধরে সাজা খাটার পর সম্প্রতি মামলাকারীর আইনজীবীর তরফে উচ্চ আদালতে অপরাধীদের সাজা কমানোর আবেদন জানান। যুক্তি দেওয়া হয়, সংশোধনাগারে থাকাকালীন একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন অপরাধী। পুণের তিলক মহারাষ্ট্র বিদ্যাপীঠে গ্রন্থ সমালোচনায় পেয়েছেন শংসাপত্র, মুম্বইয়ের রামচন্দ্র প্রতিষ্ঠানে প্রবন্ধ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় পেয়েছেন শংসাপত্র। এমনকী মহাত্মা গান্ধীর মতাদর্শের উপর দীর্ঘ লেখালেখির পাশাপাশি একটি পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিচারপতিদের মতে, “মামলার গুরুত্ব বিচার করলে কম করে ১০ বছরের কারাদণ্ড হওয়া উচিত। আমাদের মত, ১২ বছর কারাদণ্ড হলেই আসামির শাস্তি শেষ হবে।”

গোটা পরিস্থিতি বিচার করে আদালতের বক্তব্য, পকসো মামলায় আদালত ২০ বছরের ওই যুবকের বিরুদ্ধে যে সাজা ঘোষণা করেছিল তাতে কোনও ভুল নেই। তবে জেলে থাকাকালীন অপরাধীর জীবনে বহু পরিবর্তন এসেছে। বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি সারং কোতওয়াল এবং বিচারপতি সন্দেশ পাটিলের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, বন্দি অবস্থায় কোনওরকম গণ্ডগোলে জড়াননি অপরাধী। একবারও জামিন পাননি, করোনা পর্বেও জেলে ছিলেন তিনি। বিচারপতিদের মতে, “মামলার গুরুত্ব বিচার করলে কম করে ১০ বছরের কারাদণ্ড হওয়া উচিত। আমাদের মত, ১২ বছর কারাদণ্ড হলেই আসামির শাস্তি শেষ হবে।” জানা যাচ্ছে, ধর্ষণের অপরাধের জন্য ইতিমধ্যেই ৯ বছর জেল খেটেছেন ওই যুবক। সেই হিসেবে আর ৩ বছর পর তাঁকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েচেহ আদালত।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন