ইয়েদুরাপ্পা

অস্বস্তির কাঁটা নিয়েই চতুর্থবার কর্ণাটকের মসনদে বসলেন ইয়েদুরাপ্পা

মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগে নিজের নাম বদলে ফেললেন ইয়েদ্দি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ১৪:৫১

options
link
অস্বস্তির কাঁটা নিয়েই চতুর্থবার কর্ণাটকের মসনদে বসলেন ইয়েদুরাপ্পা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চতুর্থবার কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজেপির বি এস ইয়েদুরাপ্পা। শুক্রবার সন্ধে ৬ টা ১৫ নাগাদ রাজভবনে শপথ নেন তিনি। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল বাজুভাই বালা। শপথ নেওয়ার আগে সবাইকে চমকে দিয়ে নিজের নামের বানান বদলে নেন ইয়েদুরাপ্পা । আগে তিনি ব্যবহার করতেন “Yeddyurappa” , এখন থেকে তাঁর নামের বানান বদলে হল “Yediyurappa”। আসলে “Yeddyurappa” নাম ব্যবহার করে ৩ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, তিনবারের একবারও নিজের কার্যকাল শেষ করতে পারেননি তিনি। তাই আর ঝুঁকি না নিয়ে এবারে নিজের নামটাই বদলে দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

Advertisement

[আরও পড়ুন: আরও বড় দায়িত্ব, সংসদের পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হলেন অধীর]

শুক্রবার সকালেই রাজ্যপাল বাজুভাই ভালার কাছে সরকার গড়ার দাবি জানান ইয়েদুরাপ্পা। তারপরই তড়িঘড়ি আয়োজন করা হয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের। সন্ধে ৬ টা ১৫ মিনিটেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু করেন তিনি। কিন্তু, তাঁর সঙ্গে এদিন কোনও মন্ত্রী শপথ নেননি। বিজেপি সূত্রের খবর, এই নতুন সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে বিজেপির অন্দরেই। এদিন ইয়েদ্দির এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করে কংগ্রেস। তাদের দাবি, এই অনুষ্ঠান অপবিত্র।

[আরও পড়ুন: ‘গরু অক্সিজেন দেয়’, বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী]

কর্ণাটকের স্পিকারের নির্দেশমতো আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যেই বিধানসভায় নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে ইয়েদ্দিকে। যা বিজেপির পক্ষে বেশ কঠিন। কারণ, খাতায় কলমে এই মুহূর্তে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৫। যেখানে কংগ্রেস-জেডি(এস) জোটের কাছে রয়েছে ৯৯টি আসন। সেই সঙ্গে দুই নির্দল বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার কথা বিজেপির। কিন্তু, এই দু’জন বিধায়কের মধ্যে একজনকে ইতিমধ্যেই বরখাস্ত করেছেন স্পিকার। ওই নির্দল বিধায়ক এবং কংগ্রেসের দুই বিধায়ককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তিনজন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাওয়ায় বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ১১১ জনের সমর্থন। নির্দল ও অন্য দলের সমর্থনে বিজেপি সরকার গড়লেও তার স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। কারণ, বিক্ষুব্ধদের অনেকেই কুমারস্বামীকে পছন্দ না করলেও তাঁরা কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়ার ঘনিষ্ঠ। এই বিধায়কদের সঙ্গে কংগ্রেসের ফের যোগাযোগের সম্ভাবনাও খারিজ করতে পারছে না বিজেপি। একই সঙ্গে কর্ণাটক মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। তাই শপথ নেওয়ার পরও অস্বস্তি কাটছে না গেরুয়া শিবিরের। যদিও ইয়েদুরাপ্পার দাবি, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার ব্যপারে ১০১শতাংশ নিশ্চিত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.