কর্তব্য বড় নাকি বিয়ে? দুয়ের মধ্যে বেছে নেওয়ার স্বাধীনতাটুকুও আর নেই! পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার মধ্যে কমিশনের বিশেষ নজরে বাংলার ভোট। সুষ্ঠুভাবে দু’দফায় ভোটগ্রহণ পর্ব এখন চ্যালেঞ্জের কমিশনের। সেই লক্ষ্যে রাজ্যে সর্বাধিক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। তার মাঝেই বিএসএফের তরফে নজিরবিহীন নির্দেশিকা জারি হল। সূত্রের খবর, বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে জওয়ান ও আধিকারিকদের উদ্দেশে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন থেকে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত কোনও ছুটি নেওয়া যাবে না। এমনকী এই সময়ে বিয়ে ঠিক হয়ে থাকলেও তা বাতিল করে ভোটের ডিউটিতে আসতে হবে।
আরও পড়ুন:
বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের নির্দেশিকায় স্পষ্ট লেখা, এখন থেকে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি নেই। বিয়ে বা অন্য কোনও পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকলেও তা বাতিল করে ভোটের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। যোগ দিতে হবে ভোটের ডিউটিতে। এই তালিকায় রয়েছেন বিএসএফ শীর্ষ কর্তা থেকে নিচুস্তরের সমস্ত জওয়ানরা। সকলের জন্যই এক নিয়ম। এমনকী ইতিমধ্যে যাঁরা ছুটির আবেদন করেছিলেন, আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সব আবেদনও বাতিল হয়ে গিয়েছে।
নির্বাচন মানে তো শুধু নতুন সরকার বেছে নেওয়া নয়, আনুসাঙ্গিক ঢের কাজ। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপদে ভোটপর্ব সম্পন্ন করা। এই কাজে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়ে থাকেন নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত কর্মী, আধিকারিকরা। একদিকে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের যেমন নাওয়াখাওয়া ভুলে প্রচারে ছুটছেন, ঠিক ততটাই শশব্যস্ত জওয়ান, পুলিশকর্মীরা। তাঁদের উপর গুরুদায়িত্ব, প্রচারপর্ব থেকে ভোট মিটে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ শান্তিপূর্ণভাবে করার। এই মুহূর্তে ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে পেশা অনেক বড়, সেকথা মাথায় রেখে যখনতখন রণাঙ্গনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় তাঁদের। আর নির্বাচন মানে সেই দায়িত্ব আরও বেশি।
তাই ‘বলে ভোটের সময়ে বিয়েও করা যাবে না! এ কেমন ফতোয়া? অথচ বাস্তবে তেমনই হল। দেখা গেল, বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের নির্দেশিকায় স্পষ্ট লেখা, এখন থেকে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি নেই। বিয়ে বা অন্য কোনও পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকলেও তা বাতিল করে ভোটের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। যোগ দিতে হবে ভোটের ডিউটিতে। এই তালিকায় রয়েছেন বিএসএফ শীর্ষ কর্তা থেকে নিচুস্তরের সমস্ত জওয়ানরা। সকলের জন্যই এক নিয়ম। এমনকী ইতিমধ্যে যাঁরা ছুটির আবেদন করেছিলেন, আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সব আবেদনও বাতিল হয়ে গিয়েছে।
বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের এই বিজ্ঞপ্তি থেকে স্পষ্ট, বাংলার ভোটকে মাথায় রেখেই এই নির্দেশিকা। নির্বাচনের সময় বাংলার সীমান্ত এলাকাগুলিতে বাহিনীর বিশেষ নজরদারি থাকবে। দেখেশুনে ওয়াকিবহাল মহলের খোঁচা, যুদ্ধের সময় বা তেমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হলে সেনাবাহিনীতে ২৪x৭ কাজ এবং ছুটি বাতিলের নজির রয়েছে। কিন্তু পাঁচ রাজ্যের ভোট কি এসবের সঙ্গে তুলনীয় যে জওয়ানদের ছুটি বাতিল হবে?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সেদ্ধ করতে গিয়ে চিড় ধরছে ডিমের খোলায়, সমাধান করবে একটিমাত্র পাতিলেবু!
-
অ্যান্টিবায়োটিক আর আগের মতো কাজ করছে না! সাধারণ সংক্রমণও কেন হয়ে উঠছে ভয়ংকর?
-
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পচছে ফ্রিজারে রাখা মাংস-সবজি, এইভাবে ১ টাকার কয়েন রাখলেই কেল্লাফতে!
-
কেতুগ্রামে তৃণমূলের কার্যালয়ে রাজকীয় ঘর, রয়েছে খাট-বিছানা! উদ্ধার বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণ
-
বাতাসে এখনও মৃত্যুর গন্ধ! ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা পেরোল ১৭০০