Bullet Train project

বুলেট ট্রেন প্রকল্প দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, মোদি সরকারের দাবিতে শিলমোহর বম্বে হাই কোর্টের

বুলেট ট্রেনে জমি জটও কাটল কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৩, ১৩:৪৪

options
link
বুলেট ট্রেন প্রকল্প দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, মোদি সরকারের দাবিতে শিলমোহর বম্বে হাই কোর্টের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express) নিয়ে মাতামাতির মধ্যে গতি পেয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আরও এক স্বপ্নের প্রকল্প। বুলেট ট্রেন (Bullet Train) প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে আর কোনও জট রইল না। মহারাষ্ট্রে (Maharastra) এই প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের বিরোধিতা করে বম্বে হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল গোদরেজ এবং বয়েস কোম্পানি। কিন্তু সেই মামলা খারিজ করে দিল আদালত। শুধু তাই নয়, মোদি সরকারকে দরাজ সার্টিফিকেটও দিয়ে দিল আদালত।

Advertisement

বম্বে হাই কোর্ট (Bombay High Court) জানিয়ে দিল, বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি দেশের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আর এই প্রকল্পে যে যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, সবটা হয়েছে আইন মেনে। তাই আর বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ আটকে রাখার কোনও মানে হয় না। আদালতের তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ, কোনও একটি সংস্থার নয় সকলের স্বার্থ যাতে রক্ষিত হয়, সেটা দেখা হবে। এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছে। আর পিছনো যাবে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া! সময়ের আগেই ৪ হাজার কোটির ঋণ শোধ আদানি গোষ্ঠীর, এবার নজর সুপ্রিম কোর্টে]

সেই ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মুম্বই-আমেদাবাদ ৫০৮ কিমি দীর্ঘ পথে বুলেট ট্রেন চালানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এই প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালেই। কিন্তু, সেই প্রকল্প অনেকটাই পিছিয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের সম্ভাব্য ডেডলাইন ২০২৮ সাল। আহমেদাবাদ থেকে মুম্বই হাই-স্পিড ট্রেন প্রকল্পে দেরি হওয়ার প্রধান কারণ জমি অধিগ্রহণে সমস‌্যা ও মাঝে দু’বছর কোভিডের জন‌্য কাজ বন্ধ হয়ে থাকা। যা নিয়ে আদালত এদিন অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাঁচ বছরের GST ফাঁকির অভিযোগ, এবার আদানির সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্তে হিমাচলের কংগ্রেস সরকার]

আদালতের হস্তক্ষেপেই জমি জট কাটল। সূত্রের খবর, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্রে ১০০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের কাজই শেষ হয়ে গিয়েছে। শুধু আদালতে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় কাজ আটকে ছিল। এবার জোরকদমে কাজ শুরু হবে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন