সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকদিন। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রামমন্দিরের গর্ভগৃহে বসবে ‘সেরা’ রামলালার মৃর্তি। অযোধ্যায় সাজ সাজ রব। মন্দির সংলগ্ন দোকান বা আশপাশের সর্বত্র এই নিয়েই আলোচনা তুঙ্গে। কিন্তু এসবের মাঝেই কোথায় যেন লুকিয়ে রয়েছে বাবরি ধ্বংসের স্মৃতিও। অযোধ্যায় এখন সামনাসামনি আর ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর নিয়ে কেউ কথা বলে না। তবু অনেকেরই মনে পড়ে কীভাবে কয়েক বছর আগেই চায়ের দোকানে মিলত বাবরি ধ্বংসের সিডি।
কী থাকত সেই সিডিতে? কোনও ভিডিও নয়, থাকত বাবরি (Babri Masjid) ধ্বংসের নানা মুহূর্তের ছবি। ১৯৯০-এ করসেবকদের উপরে গুলি চালানোর দৃশ্যও থাকত। যা তিন দশক আগের সংবাদপত্রগুলিতে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই ছবিতে সাজানো সিডি অযোধ্যার (Ayodhya) অনেক চায়ের দোকানেই বিক্রি হত রমরমিয়ে। রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদের রায় ঘোষণার পরে সেই সিডি বিক্রি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। তার আগে পর্যন্ত তাঁবুর নিচে রামলালার পুজো হত। আর তার খুব কাছেই চায়ের দোকানগুলিতে বিক্রি হত সেই সব সিডি। এমনকী হকাররাও তা বিক্রি করতেন।
[আরও পড়ুন: সেঞ্চুরিয়নে হারের খেসারত, WTC পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ-পাকিস্তানেরও নীচে ভারত]
প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন করবেন। তবে তার আগে ১৬ জানুয়ারি হবে ‘প্রাণপ্রতিষ্ঠা’। এই সময়ে দাঁড়িয়ে, সেদিনের সেই বিক্রিবাটা অতীতের গর্ভে বিলীন। এখন এখানে বিক্রি হয় নতুন রামমন্দিরের ছোট রেপ্লিকা বা ছবি। এমনকী রামমন্দিরের (Ram Mandir) নকশা করা চাবির রিংও। আর নানা পসরা, যার সঙ্গে নতুন মন্দিরের যোগ রয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কে যেন অযোধ্যার বুক থেকে মুছে ফেলেছে সেই সিডির স্মৃতি। কেবল মানুষের মনে রয়ে গিয়েছে তা। তবুও তা নিয়ে প্রকাশ্যে আর কেউ কথা বলতে চায় না।
[আরও পড়ুন: স্বাধীনতার জন্য ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়েছে ইংরেজরাই, নাগপুরের সভায় একী বললেন রাহুল!]
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক