Polymer banknote

দেশে চালু হচ্ছে ১০ ও ২০ টাকার প্লাস্টিকের নোট! রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রস্তাবে অনুমোদন কেন্দ্রের

ভারতে পলিমার বা প্লাস্টিকের নোট চালুর প্রস্তাব নিয়ে সম্প্রতি দফায় দফায় আলোচনা করে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বোর্ড। এর পরই প্রস্তাব পাঠানো হয় সরকারের কাছে। মঙ্গলবার সংসদে সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় সরকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৬, ১৭:১০

options
link
দেশে চালু হচ্ছে ১০ ও ২০ টাকার প্লাস্টিকের নোট! রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রস্তাবে অনুমোদন কেন্দ্রের
দেশে চালু হতে চলেছে প্লাস্টিকের নোট।

ছেঁড়া-ফাটা মলিন কাগজের নোটের দিন এবার শেষ হতে চলেছে। দেশে চালু হচ্ছে ১০ ও ২০ টাকার প্লাস্টিক বা পলিমার নোট। মঙ্গলবার সংসদে ১০০ কোটি পলিমার ব্যাঙ্কনোট চালুর অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকার জানিয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে ১০০ কোটি করে ১০ এবং ২০ টাকা মূল্যের পলিমার নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে এই নোট বাজারে ছাড়া হবে। পরীক্ষা সফল হলে নিয়মিতভাবে তা বাজারে ছাড়া হবে।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে পলিমার বা প্লাস্টিকের নোট চালুর প্রস্তাব নিয়ে সম্প্রতি দফায় দফায় আলোচনা করে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বোর্ড। এর পরই প্রস্তাব পাঠানো হয় সরকারের কাছে। মঙ্গলবার সংসদে সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেয় সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এই ইস্যুতে বলেন, “সরকারের তরফে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। বর্তমান কাগজের নোটের পাশাপাশি চালু থাকবে পলিমার নোট।”তবে অর্থমন্ত্রী এটাও বলেন, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়েছে পুরো প্রক্রিয়াটি বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে এখনই এই নোট তৈরির খরচের বিষয়টি নির্ধারন করা কঠিন।

Advertisement

সরকার জানিয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে ১০০ কোটি করে ১০ এবং ২০ টাকা মূল্যের পলিমার নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

পলিমার নোট বাজার আনার বিষয়ে অনেকদিন ধরেই পরিকল্পনা করছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। গত ৫ আগস্ট এই ইস্যুতে মুখ খোলেন আইবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। তিনি বলেন, এই ধরনের নোট কাগজের তুলনায় অনেক বেশি টেকসই। কিছু দেশে পলিমার নোট ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে কোনও সমস্যা ছাড়াই। আরবিআই গভর্নর বলেন, “নোট তৈরি জন্য বিশেষ পলিমারের টেন্ডার ডাকা হয়েছে ইতিমধ্যেই। এরপর পরীক্ষামূলকভাবে তা চালানো হবে এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনুমোদন নেওয়া হবে। যদি সমস্ত পরিকল্পনা নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী এগোয়, তবে আমাদের লক্ষ্য আগামী অর্থবর্ষের শুরুতেই এই নোটগুলি বাজারে ছাড়ার।”

Advertisement

সঞ্জয় মালহোত্রা বলেন, প্লাস্টিকের নোট চালু করার মোট দুটি উদ্দেশ্য। প্রথমত, বহু বছর ধরে ব্যবহার করা যায়। সহজে নষ্ট হয় না। কাগজের নোটের তুলনায় এই নোট ৪ গুণ টেকসই। দ্বিতীয়ত, এই ধরনের নোট তৈরির খরচ কাগজের তুলনায় কম। টেকসই হওয়ার ফলে, নোট তৈরির খরচ কমবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের। উল্লেখ্য, পলিমার নোট প্লাস্টিকের মতো এক বিশেষ ধরনের কৃত্রিম উপাদান দিয়ে তৈরি। নোটগুলি ছাপানোর জন্য শক্তিশালী ও নমনীয় প্লাস্টিক ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। ফলে কাগজের তুলনায় এগুলি হবে অনেক বেশি টেকসই যা সহজে নষ্ট হবে না। যেহেতু ১০ ও ২০ টাকার নোট সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তাই এই দুই নোট পরীক্ষামূলকভাবে বাজারে ছাড়া হবে। প্রয়োগ সফল হলে, প্লাস্টিকের নোটের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.