oil and fuel price

বাংলায় ভোট শেষ হলেই বাড়বে তেলের দাম! দেশজুড়ে আশঙ্কার মধ্যে মুখ খুলল মোদি সরকার

চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচন একেবারে শেষ ধাপে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বিধানসভা নির্বাচন। তারপরেই চড়চড়িয়ে তেল, গ্যাস এবং অন্যান্য জ্বালানির দাম বাড়বে বলে আশঙ্কায় ভুগছেন দেশবাসী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১৯:৪০

options
link
বাংলায় ভোট শেষ হলেই বাড়বে তেলের দাম! দেশজুড়ে আশঙ্কার মধ্যে মুখ খুলল মোদি সরকার
ফাইল ছবি।

চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচন একেবারে শেষ ধাপে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় বিধানসভা নির্বাচন। তারপরেই চড়চড়িয়ে তেল, গ্যাস এবং অন্যান্য জ্বালানির দাম বাড়বে বলে আশঙ্কায় ভুগছেন দেশবাসী। বেশ কয়েকটি জায়গায় পেট্রল মজুত করে রাখতে শুরু হয়েছে প্যানিক বাইইং। এহেন পরিস্থিতিতে তেলের দাম বাড়া নিয়ে মুখ খুলল মোদি সরকার। আমজনতার উদ্দেশে কেন্দ্রের বার্তা, গুজবে কান দেবেন না।

Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, হরমুজ প্রণালীতে ‘অবরোধ’ ইত্যাদি নানা কারণে গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে বারবার জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। কখনও খবর ছড়িয়েছে এনার্জি লকডাউনের, কখনও তেল-গ্যাসের দাম বাড়ার খবর ছড়িয়েছে। আমজনতার একটা বিরাট অংশের আশঙ্কা, বিধানসভা নির্বাচনের পাট চুকলেই দেশজুড়ে পেট্রল এবং অন্যান্য জ্বালানির দাম বেড়ে যাবে। বুধবারের আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ পেট্রল মজুত করতে দেশের একাধিক প্রান্তে বেড়েছে প্যানিক বাইং। মূলত অন্ধ্রপ্রদেশে ভিড় বাড়ছে পেট্রল পাম্পে। প্রায় ৩৩ শতাংশ বেড়েছে পেট্রলের চাহিদা।

Advertisement

প্যানিক বাইংয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই মুখ খুলেছে মোদি সরকার। পেট্রোলিয়াম এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি সুজাতা শর্মা বলেন, “বেশ কিছু জায়গায় প্যানিক বাইং চলছে বলে খবর পেয়েছি। আমরা রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। বিক্রেতাদের উপরেও নজর রাখা হচ্ছে। সর্বত্র যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ পেট্রল-ডিজেল মজুত থাকে, সেটা নিশ্চিত করা হবে।” দাম বাড়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন সুজাতা। তাঁর কথায়, “পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ানো নিয়ে এখনও কোনও পরিকল্পনা নেই।”

Advertisement

সুজাতা আরও জানিয়েছেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি, দয়া করে গুজবে বিশ্বাস করবেন না। সরকারি সূত্র ছাড়া কোনও খবরে আস্থা রাখবেন না। আপাতত আমাদের এলপিজি, পেট্রল এবং ডিজেল পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। দামও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এখন দাম বাড়ানোর কোনও খবর নেই।” প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট। গৃহস্থ গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে বেঁধে দেওয়া হয়েছে সময়সীমা। এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে। পেট্রল পাম্পেও তেল নেওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ছে। যদিও কেন্দ্রের মতে, জ্বালানি সংকটের যাবতীয় খবর ভুয়ো।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.