Ethanol Blended Petrol

জ্বালানি সংকটের মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত, ইথানল মিশ্রিত পেট্রলে শুল্ক ছাড় মোদি সরকারের

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহে বন্ধ হরমুজ প্রণালী। তার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। দাম বাড়ছে পেট্রল-ডিজেলের। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। উচ্চ মাত্রায় ইথানল মিশ্রিত পেট্রলে শুক্ল ছাড়ের কথা ঘোষণা করল তারা। ২২ থেকে ৩০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রলে আর কোনও আবগারি শুল্ক নেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৬, ১৬:০০

options
link
জ্বালানি সংকটের মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত, ইথানল মিশ্রিত পেট্রলে শুল্ক ছাড় মোদি সরকারের
পেট্রল-ডিজেল পাম্পে বিধিনিষেধ। ফাইল ছবি।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আবহে বন্ধ হরমুজ প্রণালী। তার জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। দাম বাড়ছে পেট্রল-ডিজেলের। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। উচ্চ মাত্রায় ইথানল মিশ্রিত পেট্রলে (Ethanol Blended Petrol) শুক্ল ছাড়ের কথা ঘোষণা করল তারা। ২২ থেকে ৩০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রলে আর কোনও আবগারি শুল্ক নেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement

দেশে জ্বালানি সংকট কাটাতে বহুদিন ধরেই ইথানলের জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে মোদি সরকার। আগামী দিনে স্রেফ ইথানলের ভরসাতেই গাড়ি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। ইথানল হল আখ, ভুট্টার মতো বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য থেকে তৈরি হওয়া এক ধরনের জৈব জ্বালানি। পেট্রলের সঙ্গে মিশিয়া এটি ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রের দাবি, ভিনদেশ থেকে আমদানি করা তেলের উপর নির্ভরতা কমাতেই ইথানলের জ্বালানি তৈরি করতে মরিয়া সরকার। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ইথানলের গুরুত্ব আরও বেশি করে অনুধাবন করতে পারছে মোদি সরকার। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অর্থমন্ত্রকের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চার ধরনের নতুন ইথানল মিশ্রিত পেট্রলে কর মুকুব করা হয়েছে। সেগুলি হল – ই২২ (২২ শতাংশ ইথানল, ৭৮ শতাংশ পেট্রল), ই২৫ (২৫ শতাংশ ইথানল, ৭৫ শতাংশ পেট্রল), ই২৭ (২৭ শতাংশ ইথানল, ৭৩ শতাংশ পেট্রল), ই৩০ (৩০ শতাংশ ইথানল, ৭০ শতাংশ পেট্রল)। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে এই চার ধরনের ইথানল মিশ্রিত জ্বালনির দাম এবার কমতে চলছে। যদিও সাধারণ পেট্রলে কোনও করছাড় দেয়নি মোদি সরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতকে তার তেল চাহিদার সিংহভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। শুধু তা-ই নয়, বর্তমানে হরমুজ সংকটের জেরে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশ থেকে তেল আমদানি করতে এবং চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন