চাহিদার তুলনায় জোগান অপ্রতুল। তার পরেও ক্যানসারের ওষুধ এবং টিটেনাসের টিকার দাম বৃদ্ধি করায় অনুমতি দিল কেন্দ্র। অত্যাবশ্যকীয় জীবনদায়ী ওষুধের দামের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি করতে বিশেষ অনুমোদন প্রয়োজন হয় কেন্দ্রের। যার মধ্যে অবশ্যই রয়েছে ক্যানসারের ওষুধ। বিভিন্ন হাসপাতাল এবং ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্রে যার পর্যাপ্ত জোগান নেই বলেই খবর। যার জেরে গোটা দেশে ক্যানসার আক্রান্তদের চিকিৎসার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বিশেষত কেমোথেরাপির ওষুধও পর্যাপ্ত নেই। যার জেরে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা। এই অবস্থায় ওষুধের মূল্যবৃদ্ধিতে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র।
এই মূল্যবৃদ্ধিতে অনুমোদন দেওয়ার অর্থ যাঁদের হাতে অর্থ রয়েছে তাঁরা অন্তত বেশি অর্থের বিনিময়েও উন্নততর চিকিৎসা পেতে পারবেন। ফুসফুস, ওভারি, সার্ভিক্স, মাথা ও ঘাড়, ব্লাডার এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সিসপ্লাটিন ও কার্বোপ্লাটিন গ্রুপের ওষুধেও বড় চাহিদা রয়েছে অথচ জোগান নেই।
আরও পড়ুন:
ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটির তরফে কেন্দ্রীয় অনুমোদন পাওয়ার পরেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে। সারা দেশে এর ফলে অন্তত ৮২ ধরনের ওষুধের দামবৃদ্ধি হবে। মাত্র চারটি ওষুধের মূল্যবৃদ্ধিতে অনুমোদন দেওয়া হলেও তারই জেরে ২৭টি চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রায় হাজারটি ফর্মুলার ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি ঘটতে চলেছে। প্রতি বছরই সরকারের তরফে ওষুধের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এমনিতেই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সব জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। তারই মধ্যে জীবনদায়ী ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি ঘিরে ফের চাপ সাধারণ মানুষের পকেটে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সাময়িক স্বস্তি! হকার উচ্ছেদে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ কলকাতা হাই কোর্টের
-
রাজ্যসভায় ফের ভাঙল তৃণমূল, সুখেন্দু-সুস্মিতার পর ইস্তফা আরও এক সাংসদের
-
অনগ্রসর শ্রেণির ভুয়ো শংসাপত্র দেওয়া আধিকারিকদের ছাড় নয়, অ্যাকশন মুডে নদিয়ারচাঁদ
-
লক্ষ্য দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা, তৃণমূলের পর এবার আরও এক বিরোধী দল ভাঙাচ্ছে NDA!
-
‘ফ্রিতে গাজর দেব’, ‘খরগোশ জনতা পার্টি’ খুলে নিজেকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ ঘোষণা এলভিশ যাদবের