সদ্য গোটা দেশকে মাওবাদী মুক্ত বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বাভাবিকভাবেই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাও উপদ্রুত রাজ্য ছত্তিশগড়ে এখন মুক্ত বাতায়ন। তবে ওই মুক্ত বাতায়নের প্রথম নির্বাচনে কিছুটা ধাক্কা খেল বিজেপি। প্রায় সমানে সমানে লড়াই করে রাজ্যে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিল কংগ্রেস।
আরও পড়ুন:
ছত্তিশগড়ের নবগঠিত পাঁচটি নগর পঞ্চায়েত এবং কিছু পুরসভার শূন্য ওয়ার্ডগুলির জন্য ১ জুন ভোটগ্রহণ হয়েছিল। ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৫৮ শতাংশ। ওই নির্বাচনের ফলাফল বলছে, মোট পাঁচটি নগর পঞ্চায়েত বা পুরসভার মধ্যে বিজেপির দখলে গিয়েছে ৩টি। বাকি দুটি কংগ্রেসের দখলে গিয়েছে। বিজেপি জয়ী হয়েছে জঞ্জগীর-চম্পা জেলার বামহনিডি, সুরজপুর জেলার শিবানন্দনপুর এবং কবীরধাম জেলার সাহসপুর-লোহারা পুরসভা। কংগ্রেসের দখলে গিয়েছে রাজনন্দগাঁও জেলার ঘুমকা এবং বালোড জেলার পালারি পুরসভার চেয়ারপার্সন পদ।
মোট ৭১টি কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে ৩৯টিতে বিজেপি জিতেছে। কংগ্রেস ৩০টিতে। নির্দল প্রার্থীরা ২টি ওয়ার্ডে জিতেছেন। যার অর্থ কার্যত সমানে সমানে লড়াই হয়েছে। এমনিতে এই ধরনের স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে শাসকদলের দাপট থাকে। কিন্তু ভোটের বছর দুই আগের এই পুর নির্বাচনে যেভাবে কংগ্রেস লড়াই দিল, তাতে রাজ্যের কর্মীরা উদ্বুদ্ধ। বিজেপির আশা ছিল, রাজ্য মাওবাদী মুক্ত হওয়ার পর একচেটিয়ে জয় আসবে এই নির্বাচনে। তবে সেটা হল না।
বছর তিনেক আগে ছত্তিশগড়ে একপ্রকার অপ্রত্যাশিতভাবে ক্ষমতা হারিয়েছিল কংগ্রেস। ভুপেশ বাঘেলের নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর লোকসভায় ছত্তিশগড়ে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় কংগ্রেস। এই পুরভোটের ফল কংগ্রেসকে সামান্য হলেও অক্সিজেন যোগাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
প্রাক্তন-বর্তমানের ‘ভয়ংকর পুনর্মিলন’ হবে ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’তে, সম্পর্কের জটিল ধাঁধায় জয়া-চূর্ণী
-
মেয়ের আবদারে কাজে যাননি, যমদুয়ার থেকে তারাতলার শ্রমিক বাবাকে ফেরাল খুদে
-
‘দিদি’কে ফিরিয়ে ‘দাদা’তে আস্থা! ভবানীপুরে নতুন অফিস খুলে শুভেন্দু বললেন, ‘রোজ পরিষেবা পাবেন’
-
ঢাকা হত সিসিটিভি, শৌচাগারে লুকনো টাকা! রাম মন্দিরে ‘চুরি’র নীল নকশায় তাজ্জব তদন্তকারীরা
-
‘দ্বিতীয়বার আসতে হলে ভালো হবে না’, মাফিয়ারাজ রুখতে পুলিশকে কড়া হুঁশিয়ারি মন্ত্রী শঙ্করের