Chhattisgarh

মাথার দাম ছিল ১৩ লক্ষ! ছত্তিশগড়ে খতম শীর্ষ দুই মাওবাদী কমান্ডার

মাওবাদীদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৫, ১৬:৪৪

options
link
মাথার দাম ছিল ১৩ লক্ষ! ছত্তিশগড়ে খতম শীর্ষ দুই মাওবাদী কমান্ডার
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাওবাদীমুক্ত ভারত গড়ার লক্ষ্যে ফের বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল দুই শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডারের। গত মঙ্গলবার এই অভিযান চালানো হলেও বুধবার ওই মাওবাদীদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এনেছে প্রশাসন। জানা গিয়েছে, মৃত ওই দুই মাও কমান্ডারের মাথার দাম ছিল ১৩ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র।

Advertisement

নিরাপত্তাবাহিনীর তরফে জানা গিয়েছে, গত ১৫ এপ্রিল ছত্তিশগড়ের কোন্ডাগাও-নায়ায়ণপুর সীমান্তবর্তী জঙ্গলঘেরা অঞ্চলে একাধিক মাওবাদীর আস্থানার খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। এই পরিস্থিতিতে পিছু হঠার জায়গা না পেয়ে বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পালটা গুলি চালায় জওয়ানরাও। দীর্ঘক্ষণ দুপক্ষের গুলির লড়াই চলার পর মৃত্যু হয় দুই মাওবাদীর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত ওই দুই মাওবাদীর নাম ডিভিসিএম হালদার ও এসিএম রামে। দুজনই পূর্ব বস্তার অঞ্চলে মাওবাদী সংগঠনের কমান্ডার হিসেবে কাজ করত। নিরাপত্তাবাহিনীর উপর হামলার পাশাপাশি বহু অপরাধমূলক কাজে লিপ্ত ছিল এই দুইজন। এদের মধ্যে হালদারের মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ টাকা এবং রামের ৫ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি জানা যাচ্ছে, মৃত মাওবাদীদের কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল, বহু আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছত্তিশগড়ে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাওবিরোধী অভিযান আরও গতি পেয়েছে। ২০২৪ সালে বস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে মৃত্যু হয়েছে ২৮৭ জন মাওবাদীর। গ্রেপ্তার হয়েছে হাজারেরও বেশি, পাশাপাশি আত্মসমর্পণ করেন ৮৩৭ জন। এরপর চলতি বছরে মাত্র ৩ মাসে মৃত্যু হয় ১৩০ জন মাওবাদীর। সংখ্যাটা আরও বেড়েই চলেছে। শুধুমাত্র বস্তার রেঞ্জে সংখ্যাটা ১১০ পেরিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রীতিমতো চাপে পড়েছে মাওবাদীরা। তাঁদের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে, মাওবাদীরা সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় রাজি। তবে সরকারকে অভিযান বন্ধ করতে হবে। তাহলেই যুদ্ধবিরতিতে হাঁটবে মাওবাদীরা। তবে সরকার মাওবাদীদের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে এমন কোনও বিবৃতি সামনে আসনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন