সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনাস্থা ভোটের আগের রাতে আচমকা তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের দিল্লির বাড়িতে পুলিশ। সাংসদ ছাড়া সেসময় বাড়িতে তাঁর পরিচারিকা ছিলেন। তাঁর কথায়, চার-পাঁচজন পুলিশকর্মী এসেছিলেন। পরিচারিকার কাছে তাঁরা জানতে চান, কাকলিদেবী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল করেন কি না। তিনি কবে দিল্লি এসেছেন। তাঁর সঙ্গে আর কে রয়েছেন, ইত্যাদি। পুলিশ আসার কথা শুনেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন সাংসদ।
[কাগজ কুড়িয়ে সংসার চালান বাবা, এইমসে পড়তে চললেন ছেলে আসারাম]
জানতে চান, কোনও মহিলা পুলিশ এসেছেন কি না। তা না থাকায় পুলিশ অফিসারদের চলে যেতে বলেন সাংসদ। রাতে বিনা নোটিসে এভাবে বাড়িতে পুলিশ আসার খবর সঙ্গে সঙ্গে ফোনে তৃণমূল নেত্রীকে জানান কাকলি। উদ্বিগ্ন হন মমতা। সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ফোন করেন কাকলি। কল্যাণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংকে ফোনে বিষয়টি জানান। রাজনাথ বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন। এরপরই কল্যাণকে ফোন করে দিল্লি পুলিশ কমিশনার অমূল্য পট্টনায়েক জানান, পুলিশ যাওয়া একটি রুটিন বিষয়। তাতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কল্যাণ। কাকলির অভিযোগ, “শুক্রবার অনাস্থা ভোটের আলোচনা। তার আগে মানসিক চাপ তৈরি করতে চাইছে কেন্দ্র।”
[আস্থা ভোটের আগে স্বস্তি কেন্দ্রের, বিজেপির পক্ষেই ভোট দেবে শিব সেনা]
কিন্তু, রাতদুপুরে কেন সংসদের বাড়িতে গেল পুলিশ? অনাস্থা ভোটের আগে সাংসদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশের শাসানির অভিযোগ কি তৃণমূলের উপর চাপ বাড়ানোর কৌশল? নাকি, এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনও রহস্য? গভীর রাতে সাংসদের বাড়িতে গিয়ে পুলিশের হম্বিতম্বির ঘটনায় ইতিমধ্যেই দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি করেছে৷
সর্বশেষ খবর
-
মিরিকে ধস, জলমগ্ন আলিপুরদুয়ার, তোর্সায় বেড়েছে জল, বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গে দুর্ভোগে পর্যটকরা!
-
শিল্পের খরা কাটছে জঙ্গলমহলে! ইকো টুরিজমে ভরসা করে কর্মসংস্থানের ডাক ঝাড়গ্রামে
-
বাংলায় লিচু-বিপ্লব! অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবাদে আকাশপথে ভিনরাজ্যে মরশুমি ফল
-
বয়সকে তুড়িতে উড়িয়ে দুর্গম ‘মুকার বে’ শৃঙ্গ জয় ষাটোর্ধ্ব বসন্তর
-
গাড়িতে বোমা, প্রাক্তন প্রেমিকাকে অপহরণ করে ‘সহমরণে’র ফাঁদ, তারপর…