Artificial Rain

‘আশার ছলনে ভুলি’… কৃত্রিম বৃষ্টিতে দিল্লির দূষণ-অসুরকে দমানো যাবে না, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

‘ক্লাউড সিডিং’-এও লাভের লাভ কিছু হবে না?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ১০:৫০

options
link
‘আশার ছলনে ভুলি’… কৃত্রিম বৃষ্টিতে দিল্লির দূষণ-অসুরকে দমানো যাবে না, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যেন ‘লগান’ ছবির সেই মুহূর্ত। আকাশের দিকে চাতকের মতো তাকিয়ে রয়েছে গ্রামবাসী। যদি একবার নামে প্রত্যাশিত বৃষ্টি। নয়াদিল্লির বর্তমান অবস্থা এখন তেমনই। বাজির দৌরাত্ম্যে দীপাবলির পর ফের লাগামছাড়া হয়েছে দূষণ। এহেন পরিস্থিতিতে বৃষ্টিই পারে পরিস্থিতি সামাল দিতে। কিন্তু বৃষ্টির সময় এটা নয়। আর তাই কৃত্রিম বৃষ্টির পথে হাঁটছে সেখানকার বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার কৃত্রিমভাবে ‘ক্লাউড সিডিং’ বা মেঘ জমানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি যা, আদৌ এতেও কোনও লাভ হবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। মহারাষ্ট্র কিংবা অন্ধ্রপ্রদেশের মতোই কি শেষপর্যন্ত লাভ কিছুই হবে না দিল্লিতেও?

Advertisement

জানা গিয়েছে, এদিন বুরারি, ময়ূর বিহার ও করোল বাগ অঞ্চলে আকাশপথে মেঘের ‘বীজ’ ছড়ানো হয়েছে। বিমানগুলি আর্দ্রতা-ভরা মেঘের মধ্যে দিয়ে উড়ে গিয়ে সেখানে সিলভার আয়োডাইড এবং লবণ-ভিত্তিক যৌগের মতো কণা ছেড়ে দিয়েছে। আশা, এর ফলেই বৃষ্টি ঝরাবে মেঘগুলি। কিন্তু আদৌ কি এভাবে ‘জেদি’ দূষণে লাগাম পরানো সম্ভব? পরিবেশবিদরা বলছেন, ঘোরতর সন্দেহ রয়েছে। তাঁদের স্পষ্ট বার্তা, এভাবে কোনও ‘ম্যাজিক’ করে দূষণের মতো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান করা যায় না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

 

কৃত্রিম বৃষ্টি যদি নামে সেক্ষেত্রে হয়তো একটা সাময়িক সমাধান মিলবে। কিন্তু এক বা বড়জোর দু’দিনের মধ্যেই আবার পরিস্থিতি যে কে সেই হয়ে যাবে। আসলে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ব্যাপারটা যে খুব নতুন তা নয়। এদেশেও গত শতকের পাঁচের দশক থেকে এই ভাবে বৃষ্টি ঘটানোর নজির রয়েছে। তবে সেই সময় দূষণ অতটা থাবা বসাতে পারেনি পরিবেশেষ তাই কৃত্রিম বৃষ্টির কথা ভাবা হয়েছিল মূলত খরাক্লিষ্ট অঞ্চলে জলসিঞ্চনের দিকে তাকিয়েই।

২০০৯ সালে মুম্বই দূষণ থেকে বাঁচতে কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের দিকে হাঁটে। কিন্তু দেখা যায়, চারবারের চেষ্টাতেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাতের বেশি কিছু করা যায়নি। অথচ সাকুল্যে খরচ হয়ে যায় ২৫ কোটি টাকা! এদিকে অন্ধ্রপ্রদেশেও ২০০৮-১১ সালের মধ্যে এমন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু সেখানেও সন্তোষজনক ফল মেলেনি। এই সব নজির ও পরিবেশবিদদের বক্তব্য যে খুব বেশি আশা জাগাচ্ছে না দিল্লির জন্য, তেমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.