Prateek Yadav

মাত্র ৩৮ বছরেই মৃত্যু! অখিলেশের ভাই প্রতীক যাদবের অকালপ্রয়াণের নেপথ্যে কোন কারণ?

শুরুতে যা মনে করা হচ্ছিল তা নয়। ক্রমশ পরিষ্কার হচ্ছে প্রতীকের মৃত্যুর অন্তরালে রয়েছে আরও জটিল কারণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ১৭:৩৮

options
link
মাত্র ৩৮ বছরেই মৃত্যু! অখিলেশের ভাই প্রতীক যাদবের অকালপ্রয়াণের নেপথ্যে কোন কারণ?
গত পাঁচ বছর ধরেই চিকিৎসা চলছিল প্রতীকের।

বুধবার সকালেই সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদবের কনিষ্ঠ পুত্র প্রতীক যাদবের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। ক্রমশ ঘনাতে থাকে রহস্য। ঠিক কী কারণে মাত্র ৩৮ বছরের একজন মানুষ এভাবে মারা গেলেন তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা। যেহেতু তিনি জিম চালাতেন, তাই অতিরিক্ত স্টেরয়েডের বিষয়টা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছিল না। অন্যদিকে স্ত্রী অপর্ণার সঙ্গে বিচ্ছেদের দিকটিও উঠে আসতে থাকে। কিন্তু অবশেষে যা জানা যাচ্ছে, তা এই সব ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’কে নাকচ করে দিচ্ছে। যে চিকিৎসক গত পাঁচ বছর ধরে প্রতীকের চিকিৎসা করছিলেন, তাঁর মতে, নিজেই নিজের মৃত্যু ডেকে এনেছেন প্রতীক!

Advertisement

জানা যাচ্ছে, প্রতীকের (Prateek Yadav) যে অসুখ ছিল তার নাম ডিভিটি। ‘ডিপ ভেইন থ্রম্বসিস’। গত পাঁচ বছর ধরেই চিকিৎসা চলছিল। কী এই অসুখ? বলা হচ্ছে, এর ফলে শিরার মধ্যেই রক্ত জমাট বেঁধে যায়। মূলত পায়ে এই সমস্যা তৈরি হয়। এমনিতে খুব সমস্যার কিছু নয়। কিন্তু যদি জমাট রক্ত ভেঙে তা ফুসফুসে পৌঁছে যায়, সেক্ষেত্রে যে সমস্যা তৈরি হয় তার নাম পালমোনারি এম্বলিজম। আর সেটা হলে প্রতিটি মিনিট দামি! সেক্ষেত্রে ব্লাড থিনার অর্থাৎ রক্ত পাতলা করার ওষুধ দিতে হয়। এবং রোগীকে নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখতে হয়। প্রতীকও সেভাবেই ছিলেন। কিন্তু গত ২৯ এপ্রিল বুকে ব্যথা হয় প্রতীকের। সেই সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্ট ও ঝিমুনি ভাব। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আইসিইউয়ে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক ভাবে তিনি সুস্থও হতে থাকেন। কিন্তু তাঁর চিকিৎসক জানিয়েছেন, গত ১ মে প্রতীক জানান, তিনি বাড়ি যেতে চান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, তাঁর যা শারীরিক অবস্থা, এই পরিস্থিতিতে আইসিইউয়ের বাইরে থাকাটা বিরাট ঝুঁকির হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতীক শোনেননি। আর তারই ফলশ্রুতি অকালমৃত্যু। ময়নাতদন্তের রিপোর্টও সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। অর্থাৎ স্টেরয়েড নয়। একজন মানুষকে শেষ করে দিল বাড়ি ফেরার অদম্য ইচ্ছে। যিনি নিজের সন্তানের কাছে যেতে চেয়েছিলেন। যিনি ভেবেছিলেন, তাঁর হাতে সময় আছে। ভেবেছিলেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। প্রতীক যাদবের অকালপ্রয়াণ তুলে আনল এই করুণ আখ্যানই।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন