DRDO Chip

আগেই মিলবে হৃদরোগের সংকেত! সেনার জন্য অত্যাধুনিক চিপ বানাল ডিআরডিও

অত্যাধুনিক এই ডিভাইস রক্ত থেকে একইসঙ্গে ৩টি বায়োমলিক্যুল শনাক্ত করতে পারে। যদি রক্তে এইসব মলিক্যুল বিপদসীমার ঊর্ধ্বে চলে যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করবে এই ডিভাইস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১৭:২৮

options
link
আগেই মিলবে হৃদরোগের সংকেত! সেনার জন্য অত্যাধুনিক চিপ বানাল ডিআরডিও
হৃদরোগের সংকেত দেওয়া অত্যাধুনিক সেই চিপ। ফাইল ছবি

হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আগাম বার্তা দেবে ছোট্ট চিপ। দিল্লির মিরান্ডা হাউস কলেজের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দেশের সেনা জওয়ানদের জন্য অত্যাধুনিক এমনই চিপ প্রস্তুত করল প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। জানা যাচ্ছে, পোর্টেবল এই সেন্সরের নাম ‘BioFET’। যা শরীরের রক্ত সঞ্চালনকে নিখুঁতভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা তৈরি হলে তৎক্ষণাৎ সতর্ক করবে জওয়ানদের। মনে করা হচ্ছে, হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে প্রচণ্ড ঠান্ডায় কর্তব্যরত জওয়ানদের জন্য রক্ষাকবচ হয়ে উঠবে এই যন্ত্র।

Advertisement

এই গবেষণার প্রধান অধ্যাপক মনিকা তোমার বলেন, অত্যাধুনিক এই ডিভাইস রক্ত থেকে একইসঙ্গে ৩টি বায়োমলিক্যুল শনাক্ত করতে পারে। যদি রক্তে এইসব মলিক্যুল বিপদসীমার ঊর্ধ্বে চলে যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করবে এই ডিভাইস। রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করার যন্ত্রের মতো অত্যাধুনিক এই যন্ত্র সহজেই বহনযোগ্য। ফলে যে কোনও জায়গায় সহজে রক্ত পরীক্ষা করে জওয়ানদের হৃদযন্ত্রের পরিস্থিতি জানা সম্ভব।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গবেষকদের দাবি অনুযায়ী, ভীষণ ঠাণ্ডায় কাজ করার সময় শরীর নানা ধরনের সমস্যার মুখে পড়ে। এর ফলে রক্ত ঘন হয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। রক্ত জমাট বেঁধে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে এই সেন্সর রক্ত জমাট বাঁধার বিপজ্জনক অবস্থা শনাক্ত করতে পারে। এবং তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা শুরু করে ওই জওয়ানের রোগীর বাঁচিয়ে তুলতে পারে।

Advertisement

BioFET নামের এই ডিভাইসটি তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় ৫ বছর। মনিকা তোমার বলেন, প্রায় ৩ গবেষণার পর ডিআরডিও-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে আরও ২ বছর কাজের পর প্রস্তুত করা হয় এই যন্ত্র। যা তুলে দেওয়া হয়েছে ডিআরডি-ওর হাতে। শুধু তাই নয়, এই যন্ত্র আত্মনির্ভর ভারতেরও লক্ষ্যেও এক বড় পদক্ষেপ বলে দাবি করা হয়েছে। এই যন্ত্র প্রস্তুত হয়েছে সম্পূর্ণ দেশিয় প্রযুক্তিতে। যার জেরে খরচ কমেছে ৫০-৬০ শতাংশ। ডিভাইসটির ট্রায়াল শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। মনে করা হচ্ছে, ভারতীয় সামরিক চিকিৎসার ইতিহাসে অন্যতম বড় গেম-চেঞ্জার হতে চলেছে এই BioFET।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন