I-Pac Case

কাজে বাধা মমতার? রাজ্য পুলিশ নয়, আইপ্যাক মামলায় সিবিআই তদন্তই চাইছে ইডি

কে তদন্ত করবে ঠিক করুক রাজ্য সরকার, চাইছে কালীঘাট তৃণমূল। কী বক্তব্য ইডির?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৮, ২০২৬, ১৯:৫০

options
link
কাজে বাধা মমতার? রাজ্য পুলিশ নয়, আইপ্যাক মামলায় সিবিআই তদন্তই চাইছে ইডি
ফাইল ছবি।

আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি চলাকালীন কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তদন্ত করুক সিবিআই, চাইছে আরেক কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। তারা বলছে, রাজ্য পুলিশ নয়, বরং এই মামলায় সিবিআই তদন্ত করা উচিত।

Advertisement

গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার সংক্রান্ত একটি মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে হানা দেয় ইডির গোয়েন্দারা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ওই তল্লাশি চলাকালীন আইপ্যাকের অফিসে পৌঁছে যান তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে ইডি। উলটো দিকে ইডির বিরুদ্ধেও আদালতে মামলা দায়ের করেছিল তৃণমূল। মমতার অভিযোগ ছিল, জোরপূর্বক দলের গোপন নথি হাতানোর চেষ্টা করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলায় আগামী দিনে তদন্ত কোন দিকে এগোবে তা নিয়ে জোরাল সওয়াল জবাব হল তৃণমূল, ইডি এবং সিবিআই আইনজীবীদের।

Advertisement

গত জানুয়ারির ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল ইডি। যা নিয়ে মঙ্গলবার শুনানিতে মমতার আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, “রাজ্যে সরকার তো বদলে গিয়েছে। বর্তমান সরকার চাইলে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কে তদন্ত করবে। পুলিশ দিয়ে তদন্ত নিয়েও আরও কোনও আপত্তি থাকার কথা নয়। ফলে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।” বিচারপতি প্রশান্ত মিশ্র এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চ সেই প্রস্তাবে সায় দিয়ে ইডির কাছে জানতে চায়, তদন্ত কে করবে সেটা রাজ্য ঠিক করলে তাঁদের আপত্তি আছে কিনা। আদালতের ওই প্রস্তাবে রাজি হননি ইডির আইনজীবী এসবি রাজু।

Advertisement

এরপর শুনানিতে ইডির মামলা দায়ের করার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মমতার আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন করে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ চাওয়া আইনসম্মত নয়। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক রায় রয়েছে। সরকার পরিবর্তনের পর চার মাস কেটে গিয়েছে। প্রয়োজন হলে বর্তমান সরকার নিজেই এফআইআর দায়ের করতে পারত।” এরপরই ইডি জানিয়ে দিয়েছে, স্থানীয় পুলিশের উপর তাদের আস্থা নেই। তাই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন। আদালত জানিয়েছে, সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পরেই এ সংক্রান্ত নির্দেশ দেওয়া হবে। আগামী ২ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.