‘প্রতি বছর ১০০-রও বেশি জওয়ান আত্মহত্যা করছেন’

শুক্রবার লোকসভায় জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সুভাষ ভামরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৭, ০৩:৫২

options
link
‘প্রতি বছর ১০০-রও বেশি জওয়ান আত্মহত্যা করছেন’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত কয়েকমাস ধরে ভারতীয় সেনা জওয়ানদের জন্য তৈরি পরিকাঠামো নিয়ে বারবার তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কখনও বিএসএফ জওয়ান তেজবাহাদুর যাদব সেনার জন্য তৈরি খাবার নিয়ে, আবার কখনও সিআরপিএফ জওয়ান জিৎ সিং তাঁদের কম সুযোগ-সুবিধা পাওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন। এর মধ্যেই আবার সামনে এল আরও ভয়ানক তথ্য। প্রতি বছর ভারতীয় সেনার ১০০-রও বেশি জওয়ান আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। শুক্রবার লোকসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী সুভাষ ভামরে।

Advertisement

প্রার্থনা-যজ্ঞে সাফল্য কামনা সব দলের, তৈরি হচ্ছে লাড্ডুও

এদিন ভামরে জানিয়েছেন, প্রতি বছর ১০০-রও বেশি জওয়ান আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। গত বছর সংখ্যাটা ছিল ১২৫ জন। এর মধ্যে ১০১ জন জওয়ান, ১৯ জন বায়ুসেনার কর্মী এবং পাঁচ জন নাবিক রয়েছেন। এছাড়া সহকর্মী বা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে গুলির করার মত তিনটি ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরেই ১৭ জন জওয়ান আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া বায়ুসেনার দুই কর্মীও একই কাজ করেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মোদির ছবি ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইল Jio, Paytm

বছরের বেশিরভাগ সময়ে জওয়ানরা বাড়ির বাইরে থাকেন। তাই বাড়িতে টাকা-পয়সা, জমি-জমা বা অন্য কোনওরকম সমস্যা হলে সাহায্য করতে পারেন না তাঁরা। কারণ বর্তমান দিনে প্রত্যেক জওয়ানের কাছেই ফোন রয়েছে। যার সাহায্যে বাড়ির যেকোনও কথা জানতে দেরি হয় না তাঁদের। আর সেই কারণেই কিছুটা হলেও মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হতে থাকেন জওয়ানরা। এর পাশাপাশি রয়েছে দুর্গম স্থানে ডিউটির ফলে শারীরিক ও মানসিক চাপও বেড়ে যায়। এছাড়া কম মাইনে, কম ছুটি এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চোখরাঙানি তো রয়েইছে। মনে করা হচ্ছে, এই সব কারণেই আত্মহত্যার পথ আরও বেশি করে বেছে নিচ্ছেন জওয়ানরা।

Advertisement

‘অসহিষ্ণুতা’র পাঠ, ১২৫টি স্কুলকে নোটিস পাঠাল শিক্ষা দফতর

তাঁর বক্তব্যে ভামরে জানান, ‘কেন্দ্র ভারতীয় সেনা জওয়ানদের পরিকাঠামো উন্নতির যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। এর মধ্যে রয়েছে জওয়ানদের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা করা, পরিবারের লোকেদের জন্য নানান সুযোগ-সুবিধা দেওয়া, জওয়ানদের প্রয়োজনীয় ছুটি দেওয়া প্রভৃতি। এছাড়া প্রত্যেকটি ইউনিটে জওয়ানদের ওপর থেকে শারীরিক ও মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত যোগাভ্যাসও করানো হচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে।’

টুইটারে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য অবশেষে ক্ষমা চাইলেন রামু

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন