Delhi Police

‘ছাত্র নয়, যেন ‘দাগি’দের জমায়েত’, বাবা-স্বামীর রক্তাক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরল দিল্লি পুলিশের পরিবার

নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই অভিযানে পুলিশ এবং র‍্যাফের লাঠিচার্জ, ছররা বন্দুক চালানো ইত্যাদি একাধিক ইস্যুতে তোলপাড় চলছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ১৩:৫৩

options
link
‘ছাত্র নয়, যেন ‘দাগি’দের জমায়েত’, বাবা-স্বামীর রক্তাক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরল দিল্লি পুলিশের পরিবার
ছাত্র আন্দোলনের পর আহত পুলিশকর্মীদের কী দশা হয়েছিল?

নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই অভিযানে পুলিশ এবং র‍্যাফের লাঠিচার্জ, ছররা বন্দুক চালানো ইত্যাদি একাধিক ইস্যুতে তোলপাড় চলছে। কিন্তু ছাত্র আন্দোলনের পর আহত পুলিশকর্মীদের কী দশা হয়েছিল? এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন দিল্লির পুলিশকর্মীদের পরিবারের সদস্যরা। জানালেন, রক্তমাখা উর্দি পরে বাড়ি ফিরেছিলেন পুলিশকর্মীরা। কেউ বা প্রায় গণপিটুনি খেতে খেতে বেঁচেছেন।

Advertisement

দিল্লি পুলিশের সাব ইনস্পেক্টরের পুত্র, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া কুঞ্জল জানিয়েছেন, “বাবা ছিলেন প্রতিবাদস্থলে। বাড়ি ফিরে বললেন, গোটা ঘটনাটা মোটেই ছাত্র বিক্ষোভের মতো লাগছিল না। দাগি আসামিরাও যোগ দিয়েছিল। পরের দিন বাবা প্রায় গণপিটুনির শিকার হন। অচৈতন্য় অবস্থায় চার ঘণ্টা ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। যখন কলিগদের সাহায্যে বাড়ি ফিরলেন, তাঁর উর্দি পুরোটাই রক্তে ভেজা। তবু বলেছিলেন, সামান্য আঘাত লেগেছে। অথচ বাবার মাথায় চারটে সেলাই পড়েছে।”

Advertisement

অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টরের স্ত্রী সীমা বলছেন, “প্রত্যেকদিনের মতো ২০ জুলাইও বাড়ি থেকে টিফিন নিয়ে বেরিয়েছিল আমার স্বামী। সাবধানে থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু বিকেলে যখন কথা হল তখন ও হাসপাতালে ভর্তি। প্রতিবাদী পড়ুয়াদের মিছিল থেকে যা পেয়েছে তাই ছুড়ে মেরেছে। ওকে যে হেলমেট দেওয়া হয়েছিল সেটাও খুব খারাপ। সেদিন ছোড়া পাথরের একটাও যদি হেলমেট ভেদ করে মাথায় আছড়ে পড়ত তাহলে আজ আর জীবিত থাকত না আমার স্বামী। সবকিছু মনে পড়লে এখনও শিউরে উঠি।” সীমাদের কথায়, পুলিশের উর্দির পিছনেও একটা মানুষ থাকে যাঁর ঘরে ফেরার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন অনেকে।

Advertisement

উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযানে ব্যাপক লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। মহিলা আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আইনজীবীরা বলেন, আন্দোলনকারী মহিলাদের গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে। অনেকেরই পুলিশি ব্যাজ ছিল না। কিন্তু দিল্লি পুলিশের কর্মীদের পরিবার বলছে, বিষয়টি একতরফাভাবে দেখানো হচ্ছে। পুলিশ স্রেফ নিজের কর্তব্য পালন করছিল, তবু তাঁদের আক্রমণকারী হিসাবে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তোপ পরিবারগুলির।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.