Nashik TCS Case

যৌন হেনস্তার অভিযোগ জানিয়ে জুটেছিল কটাক্ষ! টিসিএস ম্যানেজারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তরুণী

এইচআর ম্যানেজার অশ্বিনী চৈনানির নাম উল্লেখ করে ওই অভিযোগকারিণীর তোপ, "আমাকে বলা হয়, আমি অভিযোগ জানানোর নামে আসলে প্রচার পেতে চাইছি।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৬:৩৩

options
link
যৌন হেনস্তার অভিযোগ জানিয়ে জুটেছিল কটাক্ষ! টিসিএস ম্যানেজারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তরুণী
নাসিকের টিসিএস অফিসে কর্পোরেট জেহাদ চলছে-এই অভিযোগে উত্তাল গোটা দেশ। প্রতীকী ছবি।

টিসিএসে ধর্মান্তর বিতর্কে (Nashik TCS Case) প্রকাশ্যে এল বিস্ফোরক তথ্য। অভিযোগকারীদের একজনের দাবি, তিনি এইচআর ম্যানেজারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন যৌন হেনস্তা নিয়ে। কিন্তু তাঁকে চুপ করিয়ে দেন সংস্থার কর্তারা। এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ জানানোর নামে আসলে প্রচার পেতে চাইছেন, এমন কটাক্ষও হজম করতে হয় ওই তরুণীকে। উল্লেখ্য, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন ওই তরুণী তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Advertisement

নাসিকের টিসিএস অফিসে কর্পোরেট জেহাদ চলছে-এই অভিযোগে উত্তাল গোটা দেশ। সেখানে মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা চলছে, হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করা হচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে-এমন নানা অভিযোগ ওঠে। প্রায় চার বছর ধরে এমনটা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। যদিও টিসিএসের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ধর্মান্তর বা যৌন হেনস্তার যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেই নিয়ে সংস্থার অন্দরে কোনও অভিযোগ আনা হয়নি। উল্লেখ্য, টিসিএস নাসিকের অন্তত ৯ জন মহিলা কর্মী থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছেন।

Advertisement

এহেন পরিস্থিতিতে এক অভিযোগকারিণী দাবি করেছেন, যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েও তাঁকে জোর করে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এইচআর ম্যানেজার অশ্বিনী চৈনানির নাম উল্লেখ করে ওই অভিযোগকারিণী বলেন, রাজা মেমন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন তিনি। কিন্তু সব শুনে অশ্বিনী বলেছেন, “তুমি সবসময় প্রচারের আলোয় থাকতে চাও কেন? এসব ছেড়ে দাও, এসব নিয়ে এত মাথা ঘামানোর দরকার নেই।” অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া তো দূর, অভিযোগকেই পাত্তা দেননি অশ্বিনী, এমনটাই জানিয়েছেন ওই তরুণী।

Advertisement

তিনি আরও জানিয়েছেন, ২০২৩ সাল থেকে তাঁকে উত্যক্ত করেছেন রাজা। কখনও যৌনগন্ধী মন্তব্য, কখনও অহেতুক ব্যক্তিগত মেসেজ, এমনকী অস্বস্তিকরভাব তাকানোর অভিযোগ আনা হয়েছে রাজার বিরুদ্ধে। প্রাথমিকভাবে এইচআরের তরফ থেকে ওই তরুণীকে বলা হয় রাজার থেকে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য। কিন্তু উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতেই কটাক্ষের শিকার হন ওই তরুণী। ইতিমধ্যেই অশ্বিনীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত হিসাবে উঠে আসা নিদা খান অবশ্য এখনও পলাতক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.