‘খ্রিস্টান হলেও হিন্দুধর্ম পছন্দ’, শহরের নামবদল মামলা খারিজ করে মত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির

শহরের নামবদলের জন্য জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩, ১৫:৩২

options
link
‘খ্রিস্টান হলেও হিন্দুধর্ম পছন্দ’, শহরের নামবদল মামলা খারিজ করে মত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খ্রিস্টান হলেও হিন্দুধর্ম খুবই পছন্দ করেন-এমনই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কে এম জোসেফ (KM Joseph)। তাঁর মতে, হিন্দু ধর্ম অত্যন্ত মহান, তাকে খাটো করে দেখানো উচিত নয়। প্রসঙ্গত, সোমবারেই বিজেপি নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায়ের জনস্বার্থ মামলা (PIL) খারিজ করে বিচারপতি জোসেফের বেঞ্চ। শহরের নামবদলের জন্য কমিশন গঠনের আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তরফে বলা হয়, এমন অতীত খুঁড়ে বের করা উচিত নয় যার জন্য দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়।

Advertisement

তারপরেই হিন্দুধর্মের ভূয়সী প্রশংসা করে বিচারপতি জোসেফ বলেন, “আমি খ্রিস্টান হলেও হিন্দুধর্ম খুব পছন্দ করি। মহান হিন্দু ধর্মকে খাটো করে দেখানো উচিত নয়। উপনিষদ, বেদ, ভগবদ গীতায় যেভাবে হিন্দুধর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কোনও সমাজের পক্ষেই সেই উচ্চতায় ওঠা সম্ভব নয়। এই ধর্মকে নিয়ে আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত। কেউ যেন এই ধর্মের আদর্শকে ছোট না করে, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আদালতে পৌঁছতে দেরি, ‘কত বড় VIP হয়ে গিয়েছেন?’, ফিরহাদ-মদনকে ভর্ৎসনা বিচারকের]

প্রাচীন ভারতে ধর্মীয় সম্প্রীতির নিদর্শন টেনে এনে বিচারপতি বলেন, “কেরলের বহু হিন্দু রাজা ছিলেন যারা গির্জা তৈরির জন্য জমি দান করেছিলেন। শুধু গির্জা নয়, অন্যান্য ধর্মীয়স্থান তৈরির জন্যও তাঁদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল। আমিও হিন্দু ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেছি। সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের লেখা একাধিক বই পড়ে হিন্দুধর্মের দর্শন সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতার (BJP) আবেদন খারিজ করে বিচারপতি জোসেফ বলেন, “রাস্তার নাম বদলের সঙ্গে ধর্ম পালনের কোনও সম্পর্ক নেই। ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। তাই অযথা এমন অতীত খুঁড়ে বের করবেন না, যাতে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়। দেশে আগুন জ্বালাতে পারি না আমরা।” সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, মুঘল সম্রাট আকবরও ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নানা উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাই দেশের ইতিহাসের নির্দিষ্ট একটি অধ্যায়কে মুছে ফেলা যায় না।

[আরও পড়ুন: দেশের স্বীকৃতিই নেই, তবু রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকে হাজির ‘কৈলাসে’র প্রতিনিধি, বিঁধলেন ভারতকে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন