Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Jahangir Khan

জাহাঙ্গিরকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’, পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের

ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বাংলা-নেপাল সীমান্ত থেকে জাহাঙ্গিরকে গ্রেপ্তার করে বেঙ্গল এসটিএফ। ফলতার নানা এলাকায় ধৃত জাহাঙ্গিরকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো হয়।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৮:১৯

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৮:১৯

options
link
জাহাঙ্গিরকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন’, পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের zoom
জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাই কোর্টের
Advertisement

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে (Jahangir Khan) কোমরে দড়ি আর হাফ প্যান্ট পরিয়ে এলাকায় ঘোরানোর ঘটনায় মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta HC)। ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে আচরণের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন জাহাঙ্গিরের স্ত্রী সারিকা বিবি। সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জাহাঙ্গিরের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ যেন না করা হয়, যাতে তাঁর মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। আদালতের আরও নির্দেশ, ৭ দিনের মধ্যে মামলাকারীর স্বামীর বিরুদ্ধে নতুন কোনও এফআইআর দায়ের হয়েছে কিনা তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১ জুলাই।

গোটা রাজ্যের একটি মাত্র বিধানসভা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন হয়। সেই ফলতারই তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। ভোটের আগে নিজেকে ‘পুষ্পা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে উঠে আসেন শিরোনামে। উত্তরপ্রদেশের ‘সিংহম’ পুলিশ আধিকারিকের কাছে কোনওভাবে মাথা নোয়াবেন না বলেই দাবি করেছিলেন। অথচ পুনর্নির্বাচনের সময় আসতেই ফলতার সেই ‘শের’ সেঁধিয়ে যান ঘরে। ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেই ময়দানে ছেড়ে পালানোর কথা ঘোষণা করে দেন। অভিষেকের সাজানো ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেল দুরমুশ করে ফলতায় তৃণমূলের জামানতই জব্দ হয়ে যায়। ভোটের সময় পাওয়া রক্ষাকবচ প্রত্যাহার হয়ে যায়। সেই সময় প্রশ্ন উঠতে শুরু করে অভিষেকের ‘স্নেহধন্য’ জাহাঙ্গিরের গ্রেপ্তারি কি স্রেফ সময়ের অপেক্ষা? অবশ্য তারপর থেকেই অন্তরালে চলে যান ‘পুষ্পা’। বাংলা-নেপাল সীমান্ত থেকে জাহাঙ্গিরকে গ্রেপ্তার করে বেঙ্গল এসটিএফ।

Advertisement

ফলতার সহরারহাট থেকে জাহাঙ্গির খানকে বারমুডা ও গেঞ্জি পরিয়ে এলাকায় ঘোরায় পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচলতি মানুষ সেই দৃশ্য দেখে প্রথমে বেশ কিছুটা হতচকিত হয়ে যান। স্বচক্ষে তা দেখে প্রথমে দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতাকে চিনতেই পারেননি তাঁরা। পরে হুঁশ ফিরতেই বাসিন্দারা অবাক হয়ে যান। সেদিনের সেই অত্যাচারী জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে দেখা যায়। প্রকাশ্যে কান ধরে ক্ষমাও চান জাহাঙ্গির। পুলিশের এই পদক্ষেপেই উষ্মাপ্রকাশ করে কলকাতা হাই কোর্ট।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.