Digital Census

ডিজিটাল জনগণনার জন্য বিশেষ অ্যাপ তৈরি করছে কেন্দ্র, স্মার্টফোনেই তথ্য সংগ্রহ করবেন গণনাকর্মী

প্রায় ৩৪ লক্ষ গণনাকারী নিযুক্ত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৫, ১৬:৫৪

options
link
ডিজিটাল জনগণনার জন্য বিশেষ অ্যাপ তৈরি করছে কেন্দ্র, স্মার্টফোনেই তথ্য সংগ্রহ করবেন গণনাকর্মী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ৩৪ লক্ষ সরকারী কর্মচারীকে দেশের প্রথম ডিজিটাল জনগণনার জন্য নিযুক্ত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্য সংগ্রহ করার জন্য নিজেদের স্মার্টফোন ব্যবহার করবেন তাঁরা। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের জনগণনার জন্য একটি বিশেষ অ্যাপও থাকবে। ইংরেজি ছাড়াও আঞ্চলিক ভাষাতেও ব্যবহার করা যাবে সেই অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েডের পাশাপাশি আইফোনেও কাজ করবে জনগণনার এই অ্যাপ। জনগণনা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য অ্যাপের মাধ্যমে আপলোড করা হবে সার্ভারে। ইতিমধ্যেই এই অ্যাপ তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। 

Advertisement

দেশে শেষবার জনগণনা হয়েছে ২০১১ সালে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি দশ বছর অন্তর জনগণনা করে সরকার। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ সালে জনগণনা সম্ভব হয়নি। যদিও সেনসাসের জন্য অ্যাপটি ২০২১ সালের আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বিগত কয়েক বছরে স্মার্টফোনের প্রযুক্তি অনেকখানিই বদলে গিয়েছে। যে কারণে, নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে অ্যাপটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন করা হতে পারে বলেই সূত্রের খবর। সমস্ত গণনাকারীকেই অ্যাপের মাধ্যমে জনগণনা করতে হবে। যদি কেউ কাগজে-কলমে কাজটি করেন, তবে তাঁকে একটি বিশেষ পোর্টালে সরাসরি তা নথিভুক্ত করতে হবে। এতে জটিলতা, ভুলের সম্ভাবনা অনেক কমবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেশে দুই দফায় হবে জনগণনা। বিজ্ঞপ্তি জারি করে ইতিমধ্যেই জানিয়েছে কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে প্রথম দফায় লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে জনগণনা শুরু হবে। অন্যদিকে, ২০২৭ সালের ১ মার্চ মধ্যরাত থেকে দেশের বাকি রাজ্যগুলিতে শুরু হবে জনগণনা।  জনগণনার প্রথম ধাপে পারিবারিক আয়, সম্পদের পরিমাণ, আবাসন বা বাড়ির পরিস্থিতি এবং সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই ধাপটিকে বলা হয় ‘হাউসলিস্টিং অপারেশন (এইচএলও)’। দ্বিতীয় ধাপে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আর্থ-সামাজিক-সহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই ধাপটি ‘পপুলেশন এনুমেরেশন’ নামে পরিচিত। এই প্রথমবার জনগণনার সঙ্গে জাতিগত জনগণনাও করা হবে।

Advertisement

কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এবার জনগণনার সঙ্গে জাতিগত জনগণনাও করা হবে। তিনটি বিষয়ের উপর জনগণনা হবে। এক, বাড়িতে ব্যক্তিসংখ্যা, তাদের আবাস সংখ্যা ও এক আবাসে কতজন বসবাস করেন সেটা। অর্থাৎ দেশের জনসংখ্যার পাশাপাশি কটি বাড়ি রয়েছে তাও গণনার আওতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে জাতি জনগণনাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা কংগ্রেস-সহ বিরোধীদের তরফে দাবি করা হচ্ছিল। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রের খবর, জাতিগত জনগণনা অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে এবারের জনগণনা প্রক্রিয়াটা বেশ দীর্ঘ হতে চলেছে। কারণ, আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রশ্নসংখ্যা যোগ করা হচ্ছে জনগণনার সমীক্ষায়। যার ফলে খরচও বাড়বে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন