Odisha

রাত পোহালেই CBI-শুনানি, আগেভাগে ‘ওয়াশিং মেশিন’ বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন সাংসদের, সরব তৃণমূল

তৃণমূলের কটাক্ষ, 'বিজেপি হল ওয়াশিং মেশিন। দেশের রাজনীতির সবচেয়ে কার্যকরী যন্ত্র। যেখানে কোনও দাগই জেদি নয়।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ২২:১৩

options
link
রাত পোহালেই CBI-শুনানি, আগেভাগে ‘ওয়াশিং মেশিন’ বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন সাংসদের, সরব তৃণমূল
বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন বিজেডি সাংসদ।

দুর্নীতি মামলায় সিবিআই যাঁতাকলে পড়েছিলেন। রাত পোহালেই ছিল মামলার শুনানি। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই বিজেপিতে যোগ দিলেন ওড়িশার প্রাক্তন বিজু জনতা দলের সাংসদ রবীন্দ্রকুমার জেনা। এই ঘটনা সামনে আসতেই সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। অভিযোগ উঠছে, মামলা থেকে বাঁচতেই দলবদল করেছেন রবীন্দ্রকুমার। বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীদের ‘ওয়াশিং মেশিন’ তত্ত্ব ফের সামনে উঠে আসছে এই ঘটনায়।

Advertisement

Seashore চিটফান্ড মামলায় অভিযুক্ত রবীন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় টানা-হ্যাচড়া চলছিল তাঁকে নিয়ে। সিবিআইয়ের তরফে মামলায় যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছিল সেখানেও ছিল প্রাক্তন এই সাংসদের নাম। এই অবস্থায় শোনা যাচ্ছিল মামলা থেকে বাঁচতে হয়ত বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার আদালতে ছিল এই চিটফান্ড মামলার শুনানি। তার আগে বুধবার যাবতীয় জল্পনা সত্যি করে অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন এই নেতা।

Advertisement

তৃণমূলের তোপ, ‘বিজেপি হল ওয়াশিং মেশিন। দেশের রাজনীতির সবচেয়ে কার্যকরী যন্ত্র। যেখানে কোনও দাগই জেদি নয়। দাগের চিহ্ন থাকবে না। এখানে কোনও দুর্নীতিই বড় নয়। সাবানেরও প্রয়োজন নেই। ফল মিলবেই। শুধু দলে যোগ দিতে হবে।’

ওড়িশার বিরোধী দলের নেতার হঠাৎ দলবদলে বিজেপির ‘ওয়াশিং মেশিন’ তত্ত্বকে সামনে এনে সরব হয়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘটনা তুলে ধরে তৃণমূল লিখেছে, ‘বালাসোরের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজু জনতা দলের নেতা রবীন্দ্র কুমার জেনা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। জানেন কেন তিনি দল বদলেছেন? কারণ পরদিন Seashore চিটফান্ড মামলায় সিবিআইয়ের সামনে হাজির হওয়ার কথা ছিল তাঁর। পরের ঘটনা সহজেই অনুমেয়। এবার সিবিআইয়ের ক্যালেন্ডারে আর তারিখ পাওয়া যাবে না। গুরুত্ব হারাবে মামলা। একটা সময়ের পর সব অভিযোগ হাওয়া হয়ে যাবে। বিজেপি হল ওয়াশিং মেশিন। দেশের রাজনীতির সবচেয়ে কার্যকরী যন্ত্র। যেখানে কোনও দাগই জেদি নয়। দাগের চিহ্ন থাকবে না। এখানে কোনও দুর্নীতিই বড় নয়। সাবানেরও প্রয়োজন নেই। ফল মিলবেই। শুধু দলে যোগ দিতে হবে।’

Advertisement

এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বাকিদের মতোই চেনা বুলি আওড়েছেন রবীন্দ্র। তিনি বলেন, ‘বিজেপিই একমাত্র দল যারা ওড়িশা ও ভারতের উন্নয়ন করতে পারে।’ উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বিজেডির টিকিটে প্রথমবার সাংসদ হয়েছিলেন রবীন্দ্র। ২০১৯ সালে অবশ্য বিজেপির কাছে ভোটে হারেন তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তাঁকে আর টিকিট দেয়নি দল। যদিও তাঁর স্ত্রী সুভাষিণী জেনা এখনও বিজেডির বিধায়ক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.