Gold Import Duty

আরও দামি সোনা-রুপো! মোদির সতর্কবার্তার পরই একধাক্কায় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ল আমদানি শুল্ক

নিয়ম অনুযায়ী, আমদানি শুল্কের ১০ শতাংশ বেসিক কাস্টমস ডিউটি ও ৫ শতাংশ এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেস মিলিয়ে সোনা, রুপোর কার্যকরী আমদানি শুল্ক বর্তমানে ১৫ শতাংশ হল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৪:১৯

options
link
আরও দামি সোনা-রুপো! মোদির সতর্কবার্তার পরই একধাক্কায় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ল আমদানি শুল্ক
একধাক্কায় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ল সোনা-রুপোর আমদানি শুল্ক

গত সপ্তাহেই সোনা কেনা বন্ধ রাখার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ঠিক তারপরেই সোনা, রুপো সহ সমস্ত মূল্যবান ধাতুর আমদানি শুল্ক (Gold Import Duty) বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। একধাক্কায় সোনা, রুপোর আমদানি শুল্ক বাড়ানো হল ১৫ শতাংশ। সোনা আমদানি হ্রাস করে সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার সুরক্ষিত রাখার উদ্দেশেই এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, আমদানি শুল্কের ১০ শতাংশ বেসিক কাস্টমস ডিউটি ও ৫ শতাংশ এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেস মিলিয়ে সোনা, রুপোর কার্যকরী আমদানি শুল্ক বর্তমানে ১৫ শতাংশ হল। আগে এই শুল্ক ছিল ৬ শতাংশ। এর ফলে একদিকে যেমন সোনা আমদানিতে লাগাম টানা যাবে, অন্যদিকে ডলার প্রতি টাকার পতনও রোখা যাবে বলে আশাবাদী কেন্দ্র।

Advertisement

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোনা ব্যবহারকারী দেশ ভারত। দেশের সোনার চাহিদা মেটাতে ভরসা করতে হয় আমদানির উপরই। সম্প্রতি সোনার দামবৃদ্ধির পরও ভারতে সোনা বিনিয়োগের চাহিদাও ছিল উর্ধ্বমুখী। এদিকে শেয়ারবাজারে অনেকে লোকসানের মুখে পড়ে সোনায় বিনিয়োগ করেছেন। বিশ্ব গোল্ড কাউন্সিলের রিপোর্ট বলছে, শেষ অর্থবর্ষে সোনার ইটিএফ-এ বিনিয়োগ ১৮১ শতাংশ বেড়েছে। যার ফলে সোনার আমদানিতে বিদেশি শুল্কের খরচ বেড়েছে বিপুলহারে। তাই এবার শুল্ক বাড়িয়ে আমদানি কমাতে চায় কেন্দ্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত রবিবার তেলেঙ্গানার এক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোটা বিশ্বে পেট্রল-ডিজেলের দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে। পেট্রল-ডিজেল সংরক্ষণের মাধ্যমে তা কেনার জন্য ব্যয় হওয়া বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচানো আমাদের সকলের দায়িত্ব।” পাশাপাশি বলেন, “আমি জনগণের কাছে আবেদন করব, আগামী এক বছর বিয়ের জন্য সোনা কিনবেন না।” প্রশ্ন হল, সোনা কেনা কমালে কীভাবে উপকৃত হবে ভারতীয় অর্থনীতি?

Advertisement

মাথায় রাখতে হবে, জ্বালানি তোলের মতোই সোনাও এদেশে আমদানি করা হয়। এর জন্য খরচ হয় বিরাট অঙ্কের ডলার। সেই খরচ এখন সমস্ত সীমা ছাড়িয়েছে। অশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশ আমদানি করা হয় যেমন, তেমনই বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম স্বর্ণ আমদানিকারক দেশও ভারত। মানুষ যত সোনা কিনবে, তত বেশি করে সোনা আমদানিও বাড়াতে হবে। ফলস্বরূপ আমদানি খরচ সামলাতে অতিরিক্ত ডলার খরচ হবে। কমজোরি হবে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার। এইসঙ্গে ডলার এবং টাকার দামের মধ্যে ব্যবধানও বাড়বে। এর জেরে টাকার দামের পতন হবে। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের অর্থনীতি। একথা ভেবেই দেশবাসীর সোনা কেনায় রাশ টানতে এমন সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন